নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার আরও কিছুটা বাড়ল দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২,৬৪,২০২ জন। এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩,৬৫,৮২,১২৯ জন। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩১৫ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৮৫,৩৫০ জন। করোনাকে পরাজিত করে সুস্থ হয়েছেন ১,০৯,৩৪৫ জন।
আরও পড়ুনঃ আজ করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৪ হাজার, মৃত ২৬! ঊর্দ্ধমুখী বাংলার পজিটিভিটি রেট।
আক্রান্তের নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬,৪০৬ জন। দিল্লিতে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ২৮,৮৬৭। কর্ণাটকে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫,০০৫ জন। তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা ২০,৯১১। পশ্চিমবঙ্গে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৩,৪৬৭ জন।
করোনা তৃতীয় ঢেউয়ের মাঝেই দেশে বেড়ে চলেছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫,৭৩৫ জন। গতকালের তুলনায় ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪.৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১২,৭২,০৭৩ জন। সক্রিয়তার হার বেড়ে হয়েছে ৩.৪৮ শতাংশ। দৈনিক আক্রান্তের হার বেড়ে হয়েছে ১৪.৭৮ শতাংশ।

দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তায় সরকার। গতকালই দেশের সমস্ত মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত বায়োটেকের তরফে জানানো হয়েছে তাঁদের তৈরি টিকা অথবা ভ্যাকসিন সকলের জন্য উপযোগী। ভারতে ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই সমস্ত ধরনের মানোন্নয়নের কাজ শুরু করেছে তাঁরা। এমনকি বুস্টার ডোজ হিসাবে ওমিক্রনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সক্ষম তাঁদের এই প্রযুক্তি।
কিছুটা বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে উদ্বেগ

কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রায় সমস্ত রাজ্যেই নৈশ্য কার্ফু চালু করা হয়েছে। সংক্রান্তি উপলক্ষে কড়াকড়ি করেছেন কর্ণাটক সরকার। হরিদ্বার এবং হৃষিকেশে গঙ্গাস্নান বন্ধ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আশঙ্কা প্রকাশ করলেও চালু রয়েছে গঙ্গাসাগর স্নান।



