নজরবন্দি ব্যুরো: হাইওয়েতে পুলিশের লাগামহীন তোলাবাজি! প্রতিবাদে ৩ দিন ট্রাক ধর্মঘট রাজ্যে। করোনা ভাইরাস, লকডাউন, আনলকে নতুন স্বাভাবিকতার পথ ধরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসার লড়াই চলছে। চলতি মাসের শেষে আবার বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গোপুজো। এরইমধ্যে গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠতে চলেছে রাজ্যে তিনদিনের ট্রাক ধর্মঘট। ১২-১৪ অক্টোবর রাজ্য জুড়ে পালিত হবে ট্রাক ধর্মঘট। ফলে মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়বে।
আরও পড়ুনঃ ডিসেম্বরেই বাজারে করোনা ভ্যাকসিন! সুখবরের ইঙ্গিত দিল অক্সফোর্ড।


হাইওয়েতে পুলিশের লাগামহীন তোলাবাজি! প্রতিবাদে ৩ দিন ট্রাক ধর্মঘট রাজ্যে। এই ধর্মঘটের জেরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।ফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রাক অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আগামী ১২, ১৩ এবং ১৪ অক্টোবর ৭২ ঘণ্টার ট্রাক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু ধর্মঘটের কারন কি?
ধর্মঘট নিয়ে ট্রাকমালিকেরা জানিয়েছেন, হাইওয়েতে রীতিমতো পুলিশি জুলুম চলছে। পুজোর আগে কার্যত লাগামহীন তোলাবাজি চালাচ্ছে পুলিশ! মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক সভায় সতর্ক করার পরেও বদলায়নি পুলিশ। তাই ক্ষতি এড়াতে ২৫ শতাংশ বহন ক্ষমতা বৃদ্ধি চাইছেন তাঁরা।
ধর্মঘটে কাজ না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকিও দিয়ে রেখেছে ট্রাক সংগঠন।ট্রাক মালিকদের কথায়, অন্যান্য রাজ্যের মতো ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত এক্সেল লোড চালু করতে হবে, লোডিং পয়েন্ট থেকে ওভারলোড বন্ধ করতে হবে। ট্রাকের ওপর ডাক পার্টি, ট্যাগ পার্টি, থানায় থানায় মাসিক পুলিশকে টাকা দেওয়া, এম ভি আই ভিয়েলারো এবং বালি–পাথর মাফিয়ার দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে৷


পাশাপাশি মোটর ভেহিকেলসের বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরের অকারণ হয়রানি বন্ধ করতে হবে৷ ট্রাক মালিকদের এও অভিযোগ, পুলিশের চাহিদা মতো টাকা না দেওয়া হলে পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেস দিয়ে জরিমানা আদায় করছে। এছাড়া নো এন্ট্রির নামে পুলিশের অত্যাচার বাড়ছে। পাশাপাশি সেচ দফতর এবং বিএলআরও–র জুলুম চলছে।
অন্যদিকে ফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রাক অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনদিনের ধর্মঘটে কাজ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে৷ একাধিক দাবির কথা বহুবার পরিবহণমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি৷ রাজ্যপালকেও জানিয়েছি। কিন্তু সমস্যার এখনও কোন সমাধান হয়নি৷







