নজরবন্দি ব্যুরোঃ বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের জামবাদ বেনেডি এলাকায়। বিজেপির অভিযোগ বোমা বাঁধ ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারির অভিযোগ তাঁকে খুন করতেই ছক কোষেছে তৃণমূল। সেই কারণেই বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। তিওয়ারির এই অভিযোগকে সম্পুর্ন ভাবে অস্বীকার করেছে তৃণমুল। বুধবার রাতে বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে বছর ৩৮-এর শরবন সাউ নামের এক ব্যক্তি। মৃত ব্যক্তি জামবাদ এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বাংলা থেকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুকে সরাতে গেলে দিদিকে সরাতে হবে, পুরুলিয়ায় টিপস শাহের!


অণ্ডাল থানার পুলিশ সূত্রে খবর, পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের জামবাদ বেনেডি এলাকায় গতকাল রাতের অন্ধকারে বোমা বাঁধছিল স্থানীয় দুষ্কৃতীরা। বোমা বাঁধার সময়ে বিস্ফোরণ হয়। এবং তাতেই জখম হন শরবন সাউ-সহ তিনজন। ঐ রাতেই তাদের নিয়ে যাওয়া হয় রানিগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যু হয় শরবনের। ওই যুবকের মৃত্যুর পরেই আহতরা হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত এক যুবক। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই বিস্ফোরণে আরও বেশকয়েজন জখম হয়েছেন। শুধু তাই নয় আরও কয়েকজনের মৃত্যুও হতে পারে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা। জামবাদ বেনেডি এলাকায় যে বাড়িতে বসে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল সেই বাড়িটিও ক্ষতিগ্রস্থ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে অন্ডাল থানার পুলিশ। এ বিষয়ে জিতেন্দ্র তিওয়ারি জানিয়েছেন, ‘আমাকে খুন করার চক্রান্ত চলছে।‘ এই ঘটনার পিছনে বহুলা পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান বীর বাহাদুর সিং ও নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর যুক্ত আছেন বলে অভিযোগ জিতেন্দ্র তিওয়ারির। তিনি বলেন, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাচ্ছি আমরা।
পান্ডবেশ্বরের তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। জিতেন্দ্র একজন প্রধানের সঙ্গে লড়াইতে নেমেছে। পাণ্ডবেশ্বরের মানুষ জানে কে সঙ্গে দুষ্কৃতী, মাফিয়ারা রাখে। আমি ওকে সংযত থাকার পরামর্শ দেব।’ বীর বাহাদুর সিং-ও এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আদি বিজেপি ও নব্য বিজেপির কোন্দলের জেরে এই ঘটনা। এর সাথে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এর পিছনে বিজেপি কর্মীরাই রয়েছে। জিতেন্দ্র তিওয়ারি বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল আটকাতে পারছেন না। তাই তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এইসব ষড়যন্ত্র করছেন।’


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



