নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূলের আয়োজিত রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে গোষ্ঠী সংঘর্ষ। শচীন জয়সওয়ালকে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হাওড়ার জেলা সভাপতি ছিলেন মন্ত্রী অরুপ রায়। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী অরুপ রায়কে সরিয়ে মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লকে জেলা সভাপতি পদে বসান। কিন্তু তার পরেও হাওড়ায় গোষ্ঠী সংঘর্ষ বহাল রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে সোনার দামে রেকর্ড পতন।
ররিবার দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের চিত্রটি পরিস্কার হয়ে যায়। হাওড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতা প্রেম সিংয়ের উদ্যোগে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠান করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরুপ রায়। সূত্রের খবর, মন্ত্রী সেখান থেকে চলে যাওয়ার পরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ শচীন জয়সওয়ালের লোক জনের উপর হামলা চালায় অরূপ রায় ঘনিষ্ঠ প্রেম সিংয়ের লোকজনেরা। খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠে আসে প্রেম সিং-এর উপর। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রেম সিং।
তিনি বলেন, এখানে সমাজসেবা মূলক কাজ করছিলাম। শচীন জয়সওয়ালের লোকেরাই এখানে এসে গন্ডগোল শুরু করে। এবং এর পিছনে বিজেপির হাত আছে বলে জানান প্রেম সিং। এই ঘটনার বিষয়ে বিজেপি তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী মধ্যে ভাগবাঁটোয়ারা নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে এবং নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি চলে। অযথা বিজেপির নাম এর সাথে জড়ানো হচ্ছে। মন্ত্রী অরুপ রায় জানিয়েছেন, এখানে গোষ্ঠী সংঘর্ষের কোনো দিক নেই। দলের দুই কর্মী মধ্যে ঝামেলা ছিল। বিজেপির ইন্ধনে যা বেড়েছে। বিজেপি একগানে হাওয়া দিতে নেমেছে।
এই ঘটনায় গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেলিলিয়াস রোডে মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশবাহিনী। ওই এলাকা থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাওড়া জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কন্দোল নতুন বিষয় নয়। কখন দুই মেয়রের মধ্যে ঝামেলা আবার কখনও যুব ওয়ার্ড সভাপতির সঙ্গে কাউন্সিলরের দ্বন্দ্ব। তৃণমূলের দুই মন্ত্রী অরূপ রায় ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মধ্যেকার সংঘর্ষও কারোর অজানা নেই। এদিন বেলিলিয়াস রোডের এই ঘটনা হাওড়ার গোষ্ঠী সংঘর্ষ বিষয়টি আরও পরিস্কার করে দেয়।



