নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজঘাটে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ফুল অর্পণ করে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করল তৃণমূল। অবস্থান বিক্ষোভে বসলেন দলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট সাংসদ এবং নেতাকর্মীরা। রাজঘাটের বাইরে ঘাসের ওপর হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করলেন তাঁরা। দাবি একটাই, বাংলার বকেয়া টাকা দিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ রাজধানীতে তৃণমূলকে ‘চোখে চোখে’ রাখছে শাহী পুলিশ, বাপুকে ‘স্মরণ’ করে অহিংসাই মন্ত্র অভিষেকের
তৃণমূলের দু’দিন ব্যাপী দিল্লি অভিযানকে কেন্দ্র করে টানাপোড়েন কম হয়নি। প্রথমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে ইডি। তারপর বাতিল করা হয় ট্রেন। শেষমেশ বাসে করেই কর্মী সমর্থক ও একশো দিনের কাজের জব হোল্ডারদের নিয়ে দিল্লিতে পৌঁছয় তৃণমূল। আজ থেকে শুরু হয়ে গেল সেই কর্মসূচি।
রাজঘাটের পর নতুন সংসদ ভবন অর্থাৎ সেন্ট্রাল ভিস্তার সামনে প্রতিবাদ জানাবে তৃণমূল। বোঝানো হবে কেন্দ্র সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভবন তৈরি করলেও গরীব মানুষের পাওনা টাকা দিতে অসমর্থ। দিল্লিতে আম্বেদকর ভবনে থাকছেন কর্মী সমর্থক ও একশো দিনের কাজের জব হোল্ডাররা। সেখানেও দিল্লি পুলিশের তরফে কড়া নজরদারি চলছে।

রাজঘাটের সামনে জড়ো হয়েছেন বাংলার ‘বঞ্চিত’ মানুষজনেরাও। গোটা এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রাজঘাটে এমনিতেই কড়া পুলিশি প্রহরা থাকে। সোমবার গান্ধীজয়ন্তী হওয়ার কারণে সকাল থেকেই সেখানে গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাতে যান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। ফলে নিরাপত্তার বহর আরও তীব্র হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও গান্ধীজির মতাদর্শে অহিংস আন্দোলনের পথে হাঁটার কথাই ঘোষণা করেছেন।

গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দিল্লিতে প্রতিবাদ শুরু তৃণমূলের, রাজঘাটে অবস্থান বিক্ষোভে অভিষেক
অন্যদিকে, যন্তরমন্তরে নির্ধারিত কর্মসূচির জন্য আবেদন জানালেও তৃণমূলকে লিখিত অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। অথচ সেই জায়গাতেই ধরনার জন্য অনুমতি পেল রাজ্যের প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার, গান্ধীজয়ন্তীতে যন্তরমন্তরে রাজ্যের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছেন প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগের দাবি তুলেছেন তাঁরা। সব মিলিয়ে কিন্তু এই মুহূর্তে আন্দোলনের ভরকেন্দ্র যে দিল্লি এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।




