নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাংগঠনিক নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে স্বাভাবিকভাবেই দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী থাকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে থাকছেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। পাশপাশি রাজ্য সভাপতি থাকছেন সুব্রত বক্সি। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলকে সর্বভারতীয় পরিকাঠামো দিতে কিছু রদবদল হবে সাংগঠনিক স্তরে।
আরও পড়ুনঃ লটারির ১ কোটি টাকা দান করবেন মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে, অকপট অনুব্রত।


তৃণমূল সূত্রে খবর, ২ ফেব্রুয়ারি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে ভোট। কারা কারা ভোট দিতে পারবেন তা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। আজ সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান, মমতা ও অভিষেকের পদ বাদ রেখেই তৃণমূলের সাংগাঠনিক নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
পার্থ বাবু বলেছেন, “দলের সঙ্গে এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর সভাপতি সুব্রত বক্সির সঙ্গে আলোচনার পর সেই আলোচনার ভিত্তিতে ঘোষণা করছি ২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নেতাজি ইনডোরে হবে নির্বাচন। আমায় রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করেছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প দলে নেই। তিনিই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাধারণ সম্পাদক করেছেন। তাই বাকি পদের জন্য হবে নির্বাচন।


মমতা ও অভিষেকের পদ বাদ রেখেই তৃণমূলের সাংগাঠনিক নির্বাচন

উল্লেখ্য, এই নির্বাচন ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে দলের শীর্ষস্তরে। নির্বাচন কমিশনের নিয়মনীতি মেনে সাংগঠনিক নির্বাচনপর্ব শেষ করতে চায় তৃণমূল। যদিও দলের মধ্যে কিছু সমস্যা তৈরী হয়েছে মদন মিত্র, কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়দের নিয়ে। মদন মিত্র গত কয়েকদিন শীর্ষনেতৃত্বকে খোঁচা দিয়ে বিবৃতি দিয়ে চলেছেন। এমনকী কটাক্ষ করেছেন শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও।







