নজরবন্দি ব্যুরো: বিজেপি নেতা বাবু মাস্টারের উপর দুস্কৃতি হামলা, গুলি ও বোমা মেরে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল সম্প্রতি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতা গাজী ওরফে বাবু মাস্টারের গাড়ি। সূত্রের খবর বসিরহাটের সভার থেকে ফেরার পথে মিনাখা ফাড়ির কাছে আসতেই বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ করে হামলা চালায় দুস্কৃতিরা। জানা গেছে, বাবু মাস্টারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অ্যাপেলো হাসপাতালে।
আরও পড়ুনঃ কুয়াশার চাদর পেরিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। ধীরে ধীরে রাজ্যে ঢুকছে গ্রীষ্ম


এই হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জানা গেছে। গতকাল বসিরহাটের সভা সেরে কলকাতায় ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় তার গাড়িকে উদ্দেশ্য করে হামলা চালায় দুস্কৃতিরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ করে ত্রিশ থেকে চল্লিশ রাউন্ড গুলি চালায় দুস্কৃতিরা। তৃণমূলে থাকাকালীন উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের শিক্ষা তথ্য সংস্কৃতি ও ক্রিড়া দফতরের কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন বাবু মাস্টার।
সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। দল ছাড়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, তৃণমূলের একাংশ চায়না তিনি ওই দলে থাকুক। তার বিরুদ্ধে মাছ চুরির অভিযোগও করা হয়। তিনি বলেন, তার উপর মিথ্যে অপবাদ দেওয়ার পরেও দল তার পাশে দাঁড়ায়নি। তিনি জানিয়েছেন, সেই ঘটনার পরে তিনি কখনও নিজের এলাকায় ঢুকতে পারেননি। এবং ওই কারণেই কর্মাধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।
বিজেপি নেতা বাবু মাস্টারের উপর দুস্কৃতি হামলা। বাবু মাস্টার বেসুরো হওয়ার পরেই তার সাথে বৈঠক করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও সুব্রত বক্সি। কিন্তু তাতেও রাগ কমেনি তার। জানা গেছে, বাবু মাস্টারকে তার এলাকায় ফেরানোর জন্য বহুদিন ধরে চেষ্টা করছেন অর্জুন সিং। আর এর মধ্যেই তার উপর এই হামলার ঘটনা।


এবার বাবু মাস্টার হামলার বিষয়ে মুখ খুললেন বিজেপির নেতা অর্জুন সিং। তিনি শুধু তৃণমূলের দিকে নয়, আঙ্গুল তুলেছেন খোদ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দিকে। তাঁর বক্তব্য তৃণমূল বাবু মাস্টারের দলত্যাগের পর থেকেই হামলা এবং খুনের ছক কষছে। যদিও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বিষয়টিকে বিজেপির আদি – নব্য গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের কথা বলেছেন। এমনিতেই বাংলায় এই মুহূর্তে বিরোধী দলের বিরোধের থেকে বেশি শিরোনামে উঠে এসেছে দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব।







