নজরবন্দি ব্যুরোঃ নোবেল দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে অপমান করা হয়েছিল। আমাদের বাংলার ছেলেরা সেই নোবেলটা চুরি করে নিয়েছে। সিবিআই প্রসঙ্গে কেন্দ্রিয় সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়েই বেফাঁস মন্তব্য ভাতারের তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে জল্পনা বাড়তে শুরু করেছে।
আরও পড়ুনঃ Nobel Prize: ১৮ বছর পরেও নোবেল ফেরাতে ব্যর্থ সিবিআই, ফের সরব শাসক দল
সোমবার ২৫ বৈশাখের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে একথা বলেন তৃণমূল বিধায়ক। সিবিআই কিন্তু সেই চুরি যাওয়া নোবেল খুঁজে বার করতে পারেনি। বিজেপি এখন সিবিআই-সিবিআই করে লাফাচ্ছে। আজ সেই চুরি যাওয়া নোবেল খুঁজে বার করার জন্য আবার বাংলার পুলিশকে লাগানো হচ্ছে। সিবিআইকে বলা হয়েছে, ‘আপনারা সমস্ত তথ্য আমাদের দিন। আমরা সেটা খুঁজে বার করার চেষ্টা করব।’ আর বাংলার বিজেপি কর্মীরা লাফাচ্ছেন সিবিআই-সিবিআই করে।

একই কথা কিন্তু তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’ তে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সিবিআই নোবেল উদ্ধার করতে না পারলে আদালতকে জানিয়ে দেওয়া হোক। এখনও সেই ঘটনার কিনারা করতে চায় তৃণমূল।
তৃণমূলের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছিলেন সিবিআই না পারলে বলে দিক। তাহলে এখনও চেষ্টা করে দেখবে রাজ্য পুলিশ। কেন এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায় না কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থা। ইদানিং সমস্ত কিছুতেই সিবিআইয়ের দাবীতে রব তোলা হচ্ছে। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ হলেও আদালতের নির্দেশে সাহায্য করা হছে। সিবিআই তদন্ত পেলে যাওদি খবর হয় তাহলে সিবিআই তদন্তগুলো নিয়েও কথা হোক। দুর্নীতে সিবিআইয়ের এফআইআর নেমড অভিযুক্ত বিজেপিতে নাম লিখিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
নোবেল দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে অপমান করা হয়েছিল, তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্য

উল্লেখ্য, ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২০০৪ সালের ২৫ মার্চ শান্তিনিকেতনের উত্তরায়নের রবীন্দ্র জাদুঘর থেকে চুরি যায় নোবেল পুরষ্কার। সেইসঙ্গে চুরি যায় অন্তত ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ঘটনার ৬ দিনের মাথায় তদন্তের দায়িত্বভার যায় সিবিআইয়ের ওপর। ২০০৭ সালের পর থেকে সিবিআইকে সেভাবে তৎপর দেখা যায়নি। ২০১৫ সালে ঘটনার তদন্তের জন্য দিল্লির অনুমতি চায় রাজ্য।



