নজরবন্দি ব্যুরোঃ অর্জুন সিংয়ের দলবদলের পর রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশী চর্চা শুরু হয়েছে দলবদলুদের নিয়ে। অর্জুনের পর আর কারা তৃণমূলে যোগদানের জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন? তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই তালিকায় প্রথমের দিকেই নাম রয়েছে লকেট চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরা এবং খগেন মুর্মুর। যদিও বিজেপিতে যোগদান সম্পর্কে নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন এই চার জন। শোনা যাচ্ছে এখনও তিনজন রয়েছে তৃণমূলের তালিকায়। তাঁরা আবার বিজেপির মন্ত্রীও। তাতেই মাথায় হাত বিজেপির।
আরও পড়ুনঃ P M Modi: কোভিডে অনাথ শিশুদের জন্য বড় ঘোষণা মোদীর


সেই তিনজন মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা এবং কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। এই তিনজনেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়ে মন্ত্রীপদ পেয়েছেন। সূত্রের খবর, ২৪ এর নির্বাচনে এই তিন জনের ওপর খুব একটা ভরসা করতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। তাই যতদিন মন্ত্রীপদে তাঁরা রয়েছেন, ততদিন তাঁরা বিজেপিতে থাকছেন এমনটাই ধরে নিচ্ছেন কেন্দ্রিয় নেতৃত্ব।

তবে তিন জনের মধ্যে সবচেয়ে প্রথম স্থানেই রয়েছেন মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। কারণ এর আগে রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন তিনি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিবিরকে নিয়ে নিজের লোকসভা এলাকায় আলাদা করে বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে মনের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। তাই তাঁর দলবদলের সম্ভাবনা দেখছে রাজনৈতিক মহল।


মাথায় হাত বিজেপির, দলবদলের তালিকায় আর কারা?

সোমবার অবশ্য সেই জল্পনায় ঘৃতাহুতি দিয়েছেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপি ছেড়ে বহু সাংসদ যোগদান করবেন তৃণমূলে। অনেক বিজেপি সাংসদ ওনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। গোটা বিষয়টি উনি খতিয়ে দেখছেন। একই বার্তা শ্যামনগরের সভা থেকেও অভিষেককে দিতে দেখা যায়। দরজা খুলে দিলে বিজেপি দলটাই উঠে যাবে।







