জহরলাল নেহেরুর পর নরেন্দ্র মোদী। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ভারতের রাশ হাতে নিতে চলেছেন তিনি। যদিও এবার তাঁর দল বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনের ক্ষেত্রে অনেকটাই শরিকদের ওপর নির্ভর হতে হচ্ছে। রবিবার সন্ধ্যে ৭টা ১৫ নাগাদ রাইসিনা হিলে শপথ বাক্য পাঠ করবেন মোদী।
আরও পড়ুন: বয়স মাত্র ৩৬, তিন বারের সাংসদ, মোদীর মন্ত্রীসভায় এবার সর্বকনিষ্ঠ তিনিই
শরিকদের ওপর নির্ভর হয়ে সরকার গঠনের কারণে এবার নরেন্দ্র মোদীকে বেশ কিছু আপোষ করতে হচ্ছে। জোট শরিকদের মধ্যে নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নায়ডু একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দাবি রেখেছেন। সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, পরিবহন, অর্থ, শিক্ষার মতো মন্ত্রক নিজেদের হাতেই রাখতে চান মোদী। আজ সকালে এনডিএ সরকারের হবু মন্ত্রীদের নিয়ে নিজের বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গে চা চক্র সারেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ৪১ জন।

কে বা কারা মন্ত্রীসভায় জায়গা পাবেন তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা চলছে। বাংলা থেকে সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন তা কার্যত চূড়ান্ত। এর পাশাপাশি প্রাক্তন তিন মুখ্যমন্ত্রী এবার মোদীর মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিতে পারেন বলে খবর। তাঁরা হলেন, কর্ণাটকের বাসবরাজ বোম্মাই, মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিংহ চৌহান এবং হরিয়ানার মনোহরলাল খট্টর।
মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, মোদীর হাত শক্ত করবেন যারা

শরিকদের মধ্যে চন্দ্রবাবুর দল টিডপি থেকে পূর্ণমন্ত্রী হতে পারেন রামমোহন নায়ডু এবং চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি। নীতীশের দল থেকে মন্ত্রী হতে পারেন লাল্লন সিংহ এবং সঞ্জয় ঝায়ের মধ্যে যে কোনও এক জন। মন্ত্রী হতে পারেন জেডিইউ-র রাজ্যসভার সাংসদ রামনাথ ঠাকুর। এলজেপি থেকে মন্ত্রী হতে পারেন প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানের পুত্র চিরাগ।



