নজরবন্দি ব্যুরোঃ মানুষ সাধারণত ৯০ বছর বয়েসে কাজ করার কথা ভাবতেও পারেনা। এই বয়েসে মানুষ অবসর নেওয়ার কথা ভাবে। এই অবসর নেওয়ার বয়েসেই এবার নতুন করে জীবন শুরু করার কথা ভাবলেন প্রতাপচন্দ্র রেড্ডি। বয়স কখনই তার জীবনে বাঁধা হয়ে উঠতে পারেনি।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বপূর্ণ ১৮ জুন, জেনে নিন আজকের দিনের নানা ঘটনাবলী


এই ব্যাক্তির কাছে বয়েস শুধুমাত্র একটি সংখ্যা। তাঁরই এক বিশেষ নজির প্রতাপচন্দ্র রেড্ডি। এই বয়েসে এসেও জীবনের কোন কিছু তার কাছে বাঁধা হয়ে দাড়ায় নি। প্রতিনিয়ত তিনি অফিস যান। তা একেবারে নিজের ইচ্ছায়। অন্যান্য সমস্ত চাকুরীজীবীদের মত সকাল ১০ টা থেকে বিকেল পাঁচটা অবধি তিনি অফিস করেন। প্রায় সাত থেকে আট ঘণ্টা তিনি কাজের জন্য সময় বের করে যান।

সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে প্রায় ছয়দিনই তিনি কাজ করেন। একটা দিন মাত্র তিনি ছুটি কাটান। কোন কোন সময় তো সেই ছুটিও নেন না। কামাই করা তো দূরের কথা। তার নিজের একটি বেসরকারি হাসপাতাল আছে। যেটি ৫০ বছর বয়সে তিনি চালু করেন। ভারতের ৫০ জন শিল্পপতির মধ্যে তিনি অন্যতম। ১৯৩৩ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি তিনি অন্ধ্রপ্রদেশে জন্মগ্রহন করেন। তার পর সুচরিতা রেড্ডির সঙ্গে তার খুব অল্প বয়েসে বিয়ে হয়।


বয়স শুধুই দুই অঙ্কের সংখ্যা! আবারও প্রমান করল প্রতাপচন্দ্র রেড্ডি
এরপর তার বিয়ের পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তিনি মোট চারজন কন্যা সন্তানের বাবা। নিজের মত নিজের কন্যাদেরও কর্মঠ বানানোর ইচ্ছে রয়েছে তার। তাই ছোট থেকেই কন্যাদের সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে। বর্তমানে তার সব কন্যাই তার সংস্থার উচ্চপদস্থ পদে কাজ করেন। শিল্পপতি হিসেবে তার এততাই পরিচিতি যে তার অন্তর্গত আরও ২১ টি সংস্থা চালু করা হয়েছে। শুধু তাই নয় তার নামে রয়েছে ডিজিটাল হেলথ পোর্টালও। রয়েছে পাঁচ হাজার ওষুধের দোকান এবং ২৯১টি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র।







