নজরবন্দি ব্যুরোঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে তৃণমূলে নবজোয়ার পৌঁছে গেছে ইসলামপুরে। সেখানেই রবিবার সভা করছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। অথচ অভিষেকের সভাস্থল থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে নিজের বাড়িতে বসেই অভিষেকের সভা বয়কট করলেন ইসলামপুরের বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী। এমনকি বাড়ির সামনে অভিষেকের জন্য রেড কার্পেট পেতে রাখা হলেও এলেন না তিনি। তাতেই কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল বিধায়ক। এই ৫৪ বছরের বিধায়ককে অসম্মান করা ঠিক হয়নি।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari: পার্থকে সিপিএম জিতিয়েছে, একযোগে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু


তিনি বলেন, আমাকে উত্তর দিনাজপুরের জেলা নেতৃত্বের তরফে কেউ জানাননি। অভিষেকের অফিস থেকে একজন ফোন করে জানিয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল এরকম সভা রয়েছে যেতে হবে। কিন্তু আমি আজ থেকে প্রায় ২ মাস ধরে নিজেকে বিদ্রোহী বিধায়ক হিসেবে ঘোষণা করেছি। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, যে নেতার সঙ্গে আমার মনোমালিন্য, সেই নেতাকে ব্লক সভাপতি করা হল। আমি বলেছিলাম, এই ধরনের সন্ত্রাসবাদী নেতাকে আমরা চাই না। বিধায়কের অভিযোগ, তাঁর ঘনিষ্ঠ নেতাকেই খুন করেছে তৃণমূলের অপর পক্ষ।

তাঁর অভিযোগ, ইসলামপুরে সভা করতে আসছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি সেই ইসলামপুরের বিধায়ক। আমাকে শুধুমাত্র একজন পিওন মারফত ফোন করে জানানো হচ্ছে। অথচ আমাকে জেলার নেতারা কেউ জানাল না। আমি একজন বর্ষীয়ান বিধায়ক। আমি ১১ বারের বিধায়ক। ২২ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছি। আমার কোনও সম্মান নেই! ৫৪ বছরের বিধায়ককে এভাবে অসম্মান করা ঠিক হয়নি।
একইসঙ্গে আবদুল করিম চৌধুরী বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বাড়িতে আসতে পারেন এই খবর পুলিশ মারফত তিনি পেয়েছিলেন। এমনকি গোটা এলাকা পুলিশ রেকি করার পর তিনি রেড কার্পেট দিয়ে বিছিয়ে রেখেছিলেন নেতাকে স্বাগত জানাবেন বলে। ভেবছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মানভঞ্জন করতে আসবেন। কিন্তু আসলেন না অভিষেক। করিম চৌধুরী বিদ্রোহী থেকেই গেল। দলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। যদি দল আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নেবে।


৫৪ বছরের বিধায়ককে অসম্মান করা ঠিক হয়নি, তৃণমূল বিধায়কের ক্ষোভপ্রকাশ ঘিরে উত্তেজনা

কার্যত অভিমানের সুরে বলেন, এত বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে রয়েছি অথচ কোনও সম্মান নেই। আমি আগেই বলেছিলাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় চেনে না। আমি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিনি না। দল এরপর যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে।







