নজরবন্দি ব্যুরো: তিন বছর পর ফের একবার শান্তিনিকেতনে বসতে চলেছে পৌষ মেলা। আজ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার। দুই পক্ষের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। তবে হাতে সময় কম থাকার কারণে মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মের পরিবর্তন করাও হতে করা হলেও হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার ৩ শ্রমিক, ফেরাতে বিশেষ টিম পাঠালেন মমতা
করোনা কালে প্রথমবারের জন্য বন্ধ হয়েছিল শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা। সে সময় উপাচার্য পদে ছিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। সম্প্রতি বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষ হয়েছে। এবং আবারও বিশ্বভারতীর মাঠে পৌষ মেলা হতে পারে বলেই জানাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, পৌষ মেলা নিয়ে তাঁর আগ্রহ খুবই কম।

আজ বৈঠক শেষে অনিল কোনার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পৌষ মেলা করতে আগ্রহী। তবে যেহেতু হাতে সময় খুব কম তাই মেলার বুকিং-এর জন্য অনলাইনে ভরসা করতে হচ্ছে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বুকিং-এর জন্য একটি সফটওয়্যারকে নতুন করে ডেভেলপ করতে চাইছে। দায়িত্বে রয়েছে খড়গপুর আইআইটি। তবে কতদিনের মধ্যে সফটওয়্যার আপডেট করা সম্ভব তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।

তিন বছর পর ফের শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলার সম্ভাবনা, বৈঠকে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

অনিল কোনার বলেন, “আজ উপাচার্য ট্রাস্টিকে ডেকেছিলেন। আমরা ছিলাম। আমরা আলোচনা করলাম বিস্তারিতভাবে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মেলা করতে চায়। ট্রাস্টি তো চায়ই। এই ট্রাস্টির প্রধান কাজই হল মেলা করা। তবে সময়টা খুবই কম। এই সময়ের মধ্যে আমাদের প্রধান প্রতিবন্ধকতা সফটওয়্যার। ২০১৯ সালে খড়্গপুর আইআইটি যে সফটওয়ার তৈরি করে দিয়েছিল তার মেয়াদ তিন বছর ছিল। সেটা নতুন করে করতে অনুরোধ জানাতে হবে। উপাচার্য আজই চিঠি লিখবেন এ নিয়ে। কারণ এখন অনলাইন বুকিং হয়। এই অল্প সময়ে এসে ম্যানুয়ালি বুকিং সম্ভব নয়। আর আমরা তা তুলেও দিয়েছি। আগেরবার আইআইটি ১০ দিন সময় নিয়েছিল। এবার কী করবে দেখা যাক।”



