নজরবন্দি ব্যুরো: নেই মৃত্যুর পরিসংখ্যান পরিযায়ী শ্রমিকদের, করোনার প্রকোপে মার্চ মাসের শেষে রাতারাতি লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর করোনার সাথেই দেশে বেড়েছে লকডাউন এর মেয়াদ। কাজ হারিয়ে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া বহু শ্রমিক বাড়ি ফেরার তাড়নায় বেরিয়ে পথেই মারা যায়। দেশে ৬৮ দিন টানা লকডাউন এ মারা যাওয়া এই শ্রমিক পরিবারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া বিরোধীদের দাবী আজ কার্যত উড়িয়ে দিলো সরকার।
আরও পড়ুনঃ খুন ও ধর্ষণের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দারস্থ হাসিন জাহান।
সোমবার বাদল অধিবেশনের প্রথমদিন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী ক্ষতিপূরণের এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দেন। এদিন লোকসভায় বিরোধীরা মৃত শ্রমিকদের নামের তালিকা প্রকাশ ও পরিবারদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তোলে। যার উত্তরে কেন্দ্র জানায় কত শ্রমিক মৃত তার কোনো হিসেব না থাকায় ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন আসে না।
কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্ম সংস্থান প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার বলেন “একটি রাষ্ট্র হিসেবে ভারতে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার স্থানীয় প্রশাসন স্বাস্থ্য কর্মী সাফাই কর্মী ও বহু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা একসাথে কাজ করছে এবং করোনাভাইরাস এর বিরুদ্ধে লড়াই করছে.দেশ লকডাউন এও স্বতঃস্ফূর্ত সারা দিয়েছে।” এছাড়া তিনি সংসদ কে জানান মার্চ এ লকডাউন ঘোষণার পর প্রায় ১.০৪ কোটি শ্রমিক বাড়ি ফিরেছে।
নেই মৃত্যুর পরিসংখ্যান পরিযায়ী শ্রমিকদের, যার মধ্যে উত্তরপ্রদেশের ৩২.৪ লক্ষ বিহারের ১৫ লক্ষ রাজস্থানের ১৩ লক্ষ। ১ লা মে থেকে ৪৬১১ টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালায় রেল।যার সাহায্যে প্রায় ৬৪ লক্ষ শ্রমিক নিজের বাড়ি পৌঁছয়। এবং শ্রম দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শ্রম আইন অনুযায়ী তাদের অর্থ জোগান দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত লকডাউন এ বাড়ি ফেরার পথে বহু শ্রমিক মারা যায়। সংবাদমাধ্যমের হিসেবে যা প্রায় ১০০র ওপর. নিম্নবিত্ত মানুষগুলির প্রতি সরকারের নিন্দনিয় অমানবিকতা বলে প্রতিক্রিয়া বিরোধীদের।



