নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন দেওয়া যাবেনা কেন্দ্রকে, জানিয়ে দিল ভারত বায়োটেক! টিকা নিয়ে শাসক বিরোধী তর্জার মাঝেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। ভারত বায়োটের করেছে সম্পূর্ণ দেশি প্রক্রিয়ায় করোনার টিকা কোভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। এতদিন তারা তিনটি স্তরে এই টিকা বন্টন করছিল। অর্থাৎ একই টিকার জন্যে দাম নেওয়া হত তিন রকম। কেন্দ্র টিকার দামে সামঞ্জস্য রক্ষা নিয়ে তেমনভাবে কোন প্রতিবাদ করেনি আগে। কারণ ভারত বায়োটেক সব থেকে কম দামে কেন্দ্রকে টিকা সরবরাহ করছিল।
আরও পড়ুনঃ মুখ থুবড়ে পড়েছে মোদীর স্বপ্নের ‘আয়ুষ্মান ভারত’? তেমনই বলছে পরিসংখ্যান।
১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন দেওয়া হত কেন্দ্রকে। ৪০০ টাকা ধার্য করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের জন্যে। বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে সেই একই টিকার দাম ১২০০ টাকা। এদিকে কেন্দ্রকে কমদামে ভ্যাকসিন সরবরাহ করার জন্যে বেসরকারি ক্ষেত্রে দাম বাড়াতে হচ্ছিল সংস্থা কে। দাম বেঁধে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারও। কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী বেসরকারি ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিনের (Covaxin) দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪১০ টাকা সাথে ১৫০ টাকা জিএসটি। অর্থাৎ ভ্যাক্সিনের দাম দাঁড়াচ্ছে ১ হাজার ৬৬০ টাকা।
কিন্তু কেন টিকার এত দাম? ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিন যে পদ্ধতিতে তৈরি হচ্ছে, তাতে উৎপাদনমূল্য অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। এই টিকা তৈরির জন্য হাজার হাজার লিটারের রক্তরস বা সেরাম আমদানি করতে হচ্ছে ভারত বায়োটেককে যা অত্যন্ত দামি। এদিকে কেন্দ্র সবাইকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ উৎপাদিত ভ্যাকসিনের প্রায় ৭৫ শতাংশ কিনে নেবে কেন্দ্র। দাম দেবে ডোজ প্রতি সেই ১৫০ টাকা। সুতরাং বিশাল লোকসানের মুখ দেখতে হবে সংস্থা কে।
উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের কাঁচামাল আমদানি, ক্লিনিকাল ট্রায়াল এবং কোভাক্সিনের জন্য উৎপাদন ইউনিট স্থাপন করতে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করেছে ভারত বায়োটেক।



