নজরবন্দি ব্যুরোঃ নজরে নির্বাচন, আর কাল ভোট ষষ্ঠী। আগামী কাল রাজ্যের ৪ জেলার মোট ৪৩টি আসনে নির্বাচন। প্রথম থেকেই অবাধ এবং শান্তিপুর্ন ভোট করাতে উদ্যগী কমিশন কড়া নজরদারিতে ঘিরে ফেলেছে রাজ্যকে। ভোটের দিন ঘোষণার সময় থেকেই জেলায় জেলায় এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনি। রূট মার্চ করে হাতের তালুর মতো চিনেছে এলাকা।
আরও পড়ুনঃ মমতা উত্তর দিলেই আর কংগ্রেসের হয়ে চাইবেন না ভোট, সাফ জানালেন অধীর।
তার পরেও গত ৫ দফায় বিক্ষিপ্ত ভাবে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ফুটে উঠেছে অশান্তির চিত্র। বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ অভিযোগের আঙুল তুলেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর। রাজনৈতিক দলগুলিও কমিশনের ওপর আঙুল তুলেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আবার কোথাও দেখা গিয়েছে বিপরীত চিত্র। প্রত্যেক দফার ভোট পরবর্তী কালে আগের দফার অশান্তির পুনরাবৃত্তি না ঘটাতে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আগামী কালের ৪৩টি আসনে ভোট গ্রহণের আগে নড়েচড়ে বসেছে কমিশন। ষষ্ঠ দফায় নির্বাচন হতে চলেছে উত্তর চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, উত্তর দিনাজপুরে। পূর্ব বর্ধমান ছাড়া ভৌগোলিক দিক থেকে বাকি তিন জেলাই বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। আর সেখানেই নিরাপত্তা আরো কড়া করছে কমিশন।
এর আগেও নির্বাচন সহ একাধিক বিষয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে দেশের সীমান্তে ঢুকে দুষ্কৃতিদের অশান্তি ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া প্রত্যেকটি নির্বাচনের আগে অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন রাজনোইতিক দলের পক্ষ থেকেই। এবার আর সেই সুযোগ দিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তার আগামীকাল অর্থাৎ ভোটের দিন এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত পেট্রাপোল বন্দর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নজরে নির্বাচন, তাই জরুরি রোগী ছাড়া যাত্রী পারাপার পুরো বন্ধ থাকবে সমস্ত দিন। আজ অর্থাৎ বুধবার থেকেই টহলদারি চলছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে গাড়ি থেকে সমস্ত যানবাহনে। সূত্রের খবর একইভাবে নদীয়া ও উত্তর দিনাজপুরের বাংলাদেশ সীমান্ত গুলোতেও নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন। চলছে নাকা চেকিং, টহলদারি।



