নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি ও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের সেকেণ্ড ইন কম্যান্ড। সুপ্রিম কোর্টের তরফে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এরপরেও সোমবার অভিষেককে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠিয়ে নোটিশ দেয় সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ মিলছে না বাবা-ছেলের বয়ান, মুকুল-শুভ্রাংশুর পরস্পর বিরোধী মন্তব্যে নয়া জল্পনা!



মঙ্গলবার সেই নোটিশ স্থগিত করা হল সিবিআই এর তরফে। অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত স্বস্তি পেলেন অভিষেক। নিয়োগ দুর্নীতিতে সরাসরি নাম না জড়ালেও কুন্তল ঘোষের মুখে অভিষেকের নাম উঠে আসতেই সিবিআইকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরেই নিজাম প্যালেসের তরফে ১৬ তারিখ একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল ‘বাই হ্যান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠিকানায়।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অপেক্ষা, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ স্থগিত রাখল সিবিআই।



যা ১৭ তারিখ দুপুর পৌনে দুটো নাগাদ গ্রহণ করা হয়েছিল। এরপরে সিবিআইয়ের সেই নোটিশকে সামনে রেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছিলেন, সকালেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে ১৩ তারিখ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছিল তাতে সুপ্রিম কোর্টের তরফে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরেও তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে।

তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের ট্যুইটের পরেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়। সিবিআইয়ের তরফে পাঠানো নোটিশ নিয়েও কাটাছেঁড়া শুরু হয়। অনেকেই তাকিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আজ অবশেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে একধাপ পিছু হটল সিবিআই। আগামী ২৪ তারিখ এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সুপ্রিম কোর্টের সেই সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য রাজনীতির একাংশ। কারণ, অনেকেই মনে করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সিবিআই কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটা নির্ভর করছে সুপ্রিম কোর্টের ওই দিনের সিদ্ধান্তের ওপরেই।







