নজরবন্দি ব্যুরোঃ নারদ-নাটক, গত কয়েকদিন ধরে রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল এই এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ঘন্টায় ঘন্টায় বদলাচ্ছে মামলার গতি। বদলাচ্ছে সিদ্ধান্ত-পরিস্থিতি। গতকালের শুনানি স্থগিত থাকার পর আজ সোয়া এগারোটা থেকে শুরু হয়েছে ৪ হেভিওয়েটের জামিনের মামলার।
আরও পড়ুনঃ সুবিচারের উদাহরণ থাক, দুপুর নাগাদ বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানির আর্জি কল্যাণের
গত সোমবার ৪ জনকে বিনা নোটিসে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসার পর থেকেই CBI দুটি বিষয়ে আবেদন করেছিল হাইকোর্টে। এক ৪ জনকেই হেফাজতে রাখা হবে, এবং দ্বিতীয়টি হলো মামলা যাবে ভিন রাজ্যে। কারণ হিসেবে বাংলার পরিস্থিতি এই মামলার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেই যুক্তি দিয়েছিলেন তাঁরা।
প্রথম থেকেই বিচারকেরা প্রশ্ন রেখেছিলেন যে মামলার চার্জশিত গঠন হয়েছে ইতিমধ্যেই সেই মামলার অভিযুক্তদের কোন ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। সেই মামলায় দুই বিচারপতির মতানৈক্যতে সিদ্ধান্ত হয় ৪ জনই জামিন পাবেন তবে থাকতে হবে বাড়িতে গৃহবন্দী হয়ে। রায়ের কয়েক মুহুর্ত পর থেকেই জটিলতা শুরু হয় হাউস অ্যারেস্ট নিয়ে।
করোনা কালে তাঁদের রাস্তায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে সেই রায়ের ওপর সাওয়াল করেন অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী সিঙ্ঘভি। বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানির আবেদন জানান আইনজীবী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বৃহত্তর বেঞ্চের রায়ের আগে পর্যন্ত আপাতত বাড়িতেই গৃহবন্দী হয়ে থাকতে হবে ৪ জনকেই। কোভিড মোকাবিলার প্রশাসনিক কাজে যুক্ত থাকার জন্য বাড়ি থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কাজ করতে পারবেন তাঁরা। তার সঙ্গেই হাইকোর্ট খারিজ করেছে CBIএর ভিন রাজ্যে মামলা স্থানাতরিত করার আবেদন। মামলা চলবে এই রাজ্যেই। সূত্রের খবর নারদ মামলায় এখনো পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভাবছেনা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।



