নজরবন্দি ব্যুরোঃ ব্যাক্তিগত বার্তা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাজ্যপাল,, অস্ত্র বানিয়ে ব্যবহার করছেন নিজের কাজে। আর তাতেই চটেছে তৃণমূল। শুরু হয়েছে একযোগে প্রতিবাদ। একাধিক বিতর্ক আর আলোচনার মাঝে রাজ্যপালের এহেন পার্সনাল টক ফাঁস করার প্রেক্ষিতে তৃণমূলের নেতারা ভাবছেন রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করার কথাও।
আরও পড়ুনঃ ধনখড় জানতেন মমতা যাবেন না ইয়াস বৈঠকে! প্রকাশ্যে ‘পার্সনাল টক’
কলাইকুন্ডা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বৈঠকে উপস্থিত না থাকা নিয়ে যখন বিতর্ক আর জলঘোলা চরমে, ঠিক সেই সময়েই বিতর্ককে আরও একধাপ উস্কে দিতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় কাল মাঝরাত্তিরে ট্যুইট করেছিলেন, ‘‘ঘটনার যে ভুল বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে, সেই কারণেই আমি জানিয়ে রাখতে চাই, গত ২৭ মে রাত ১১টা ১৬ মিনিটে মমতা ব্যানার্জি আমায় একটি মেসেজ করেছিলেন। সেখানে লেখা ছিল ‘আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারি? খুব জরুরি’। তার পরই উনি আমায় ফোন করে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ওই বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী থাকলে তিনি বৈঠক বয়কট করবেন।’’ ্ট্যুইটের শেষে তিনি লেখেন “অহং জিতল, পরাজিত নাগরিক পরিষেবা….”
সঙ্গে তিনি আলাপন প্রসঙ্গেও একটি ট্যুইট করেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপাল নিজের ব্যক্তিগত কথাবার্তাকে কেনো হাতিয়ার বানিয়ে তুলে আনছেন রাজনীতির আঙিনায় সেই উত্তর খুঁজছে তৃণমূল। বলা ভালো দলের সকল স্ত্রএ শুরু হয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ। তাঁদের বক্তব্য প্রশাসনিক স্তরে কিছু বিষয়ে আলোচনা হতেই পারে, মুখ্যমন্ত্রী সৌজন্য বোধ দেখিয়ে যা কথা বলবেন উনি সেগুলি প্রকাশ্যে আনছেন।
সুত্রের খবর ইতিমধ্যে দলের প্রস্থম সারির নেতা নেত্রীরা দলনেত্রির কাছে দরবার করেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে সম্পর্কের সুতো ছিন্ন করার জন্য। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মানসিক অবসাদগ্রস্ত রাজ্যপাল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন কুৎসামূলক কাজ করছেন।সঙ্গে কুণাল প্রশ্ন করেন কেন কেন্দ্র রেমডিসিভির, ভ্যাকসিন দেয়নি তাই নিয়ে তো কোনও ট্যুইট দেখলাম না। প্রধানমন্ত্রী যখন বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে যান তখন অন্য দলের বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলার তো কোনও দরকার পড়ে না।
ব্যাক্তিগত বার্তা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাজ্যপাল, ব্যাক্তিগত বার্তা প্রকাশ্যে আসায় বিরক্ত সৌগত রায়ও। তাঁর বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রী দিনরাত এক করে মানুষের জন্য কাজ করেন, রাজ্যপাল শুধুই ট্যুইট করেন। সঙ্গে মমতার উপস্থিত না থাকার বিষয়ে তিনি বলেছেন গিয়েছিলেন, ক্ষয়ক্ষতি সহ দাবি জানিয়ে এসেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়েও। মোট কথা যেভাব আলাপন ইস্যু তেকে রাজ্যপালের ট্যুইট বেলায় বেলায় মোড় ঘোরাচ্ছে, তাতে কলাইকুন্ডা বৈঠকের রেশ আরও কতদিন থাকে সেটাই দেখার।



