গত ২০২৩ সালের আগস্ট ও ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশনারকে ইভিএম ( EVM ) ইস্যুতে চিঠি পাঠান কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ। সেখানে তারা পরামর্শ দিয়েছিল যে, বাক্সে ভিভিপ্যাট স্লিপের পরিবর্তে, এটি ভোটারকে দিয়ে দেওয়া উচিত যাতে ভোট দেওয়ার পরে একটি পৃথক ব্যালট বাক্সে রাখবেন। তারপর স্লিপগুলির গণনা করা উচিৎ। এছাড়াও ই ভি এম এর নকশা ও কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন সেই চিঠিতে।

আরও পড়ুন: স্থগিত ছাত্র-যুব উৎসব, বরাদ্দ ফেরাতে নির্দেশিকা নবান্নের
সেই চিঠির জবাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে ভিভিপ্যাট – ইভিএম এ। মুখ্য সচিব প্রমোদ কুমার শর্মা লিখেছেন, ” ভারতীয় নির্বাচনে ব্যাবহার করা বর্তমান ই ভি এমগুলি সেই সময়ের বিভিন্ন সময়ের কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা তৈরি এবং বিদ্যমান পোক্ত আইনি

কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপুর্ণ।” এছাড়াও তিনি লিখেছেন,” এটি ভারতের সাংবিধানিক আদালত দ্বারা ৪০ বছরেরও বেশী সময় ধরে চলা আইনশাস্ত্র সম্মত। বিদ্যমান আইন কাঠামো এবং প্রতিষ্ঠিত আইনশাস্ত্রের বাইরে যেকোন কিছু কমিশনের একক আওতার বাইরে।”

ইভিএম- এর আইনি যৌক্তিকতা বুঝিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন কমিশন জানায় যে, সুপ্রিম কোর্ট ও দিল্লি হাইকোর্ট ভারতীয় নির্বাচনে ই ভি এম ব্যাবহারের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় আবেদনগুলি খারিজ করেছে। এবং অযৌক্তিক পিটিশন দাখিল করার জন্য আবেদনকারীদের ওপর জরিমানা ধার্য করেছে। উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালের নির্বাচনী বিধির ৪৯ এ, ৪৯ এম অনুযায়ী ভিভিপ্যাট চালু হয়েছে। ২০১৩ সালের ১৪ই আগস্ট পেপার স্লিপ চালু হয়েছিল।



