নজরবন্দি ব্যুরো: টালবাহানার মধ্যেই স্থায়ী সভাপতি পদের জন্য “প্ল্যান-B” ভাবছে কংগ্রেস। রাজ্যে যেভাবে রাজনীতির ভেতরে দলবদল চলছে, সেভাবে গুঞ্জন চলছে দেশের রাজনীতিতেও। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় বিষয় কংগ্রেসের আগামী সভাপতি হবেন কে? রাজি নিমরাজি সবকিছুর মধ্যেই সংগঠন ঠিক রাখতে প্ল্যান B ভাবছে কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ পরিবারতন্ত্রের সমীকরণেই কী সৌমেন্দুকে প্রসাশকের পদ থেকে অপসারণ, নাকি অন্য কোন কারণ!
২০১৯ এ লোকসভা ভোটের হারের পর সভাপতির পদ ত্যাগ করেন তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। আর তার পর থেকেই সভাপতি হারা কংগ্রেস ।রাহুল বারবার জানিয়েছেন এবার কংগ্রেসের সভাপতি হোক গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ। কিন্তু গোটা দেশ খুঁজে পাচ্ছেনা রাহুলের বিকল্প। কোনোভাবেই রাহুলকে রাজি না করাতে পেরে শেষমেষ সোনিয়া গান্ধীকে বসানো হয় সভাপতি পদে। সেই সভাপতি পদেরও হয়ে গেলো দুবছর। এবার অস্থিরতা প্রকাশ করছে দলের লোকজন। দলের ভেতরেই চলছে গুঞ্জন এবার স্থায়ী সভাপতি চায় দল। কংগ্রেসের ২৩ জন নেতা স্থানীয় সভাপতির জন্য চিঠি লেখেন সোনিয়া গান্ধীকে। দলের ভেতরে বিদ্রোহ শান্ত করতে সোনিয়া এবং গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সাক্ষাতে বৈঠকও হয়। বৈঠকে রাহুল জানান “দল যেভাবে চাইছে কাজ করবো” তাতে অনেকে ভাবেন হয়তো আবার দায়িত্ব নিতে চলেছেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু সূত্র জানাচ্ছে তাতেও রাজি হননি রাহুল গান্ধী। অনেকেই মনে করছেন কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে রাহুলের অনুপস্থিতি তাঁর অনিছাতেই সিলমোহর দিচ্ছে।
টালবাহানার মধ্যেই স্থায়ী সভাপতি পদের জন্য “প্ল্যান-B” ভাবছে কংগ্রেস। রাহুলের এই অনিছাই প্রশ্ন তুলছে একাধিক। দলের ভেতরে একে একে সরব হচ্ছেন একাধিক নেতা,এই অবস্থায় যদি রাহুল সভাপতি পদে বসতে না চান,তাহলে এখন দলের স্থায়ী সভাপতি হবেন কে? এই বিষয়ে জানতে চাইলে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কংগ্রেসের দুই শীর্ষ নেতা জানান সেক্ষেত্রে প্ল্যান B ভেবে রাখছে কংগ্রেস। নতুন ধাঁচে তৈরি হবে এই পদ। দেশের চার প্রান্ত থেকে চারজনকে নির্বাচিত করবে দেশ, তাঁদের মাথার ওপর অভিভাবকের ছায়া নিয়ে থাকবেন সোনিয়া গান্ধী। যদিও অভিভাবকের দায়িত্বে থাকলেও সিদ্ধান্ত নেবেন ওই চারজন নির্বাচিত কংগ্রেস নেতা।
যদিও দল প্ল্যান B ভেবে রাখলেও এখনো চেষ্টা চালাচ্ছেন প্ল্যান A সফল করার। সেই মত এখনো চেষ্টা চালাবেন রাহুল কে রাজি করানোর। রাহুল একান্তই রাজি না হলে তখন প্ল্যান B বাস্তবায়িত করবে দল।







