নজরবন্দি ব্যুরোঃ “বাচ্চাটির তিনদিন বয়স। হার্টে চারটে স্টেন বসাতে হবে। বর্তমানে আই এল এস এ চিকিৎসাধীন। আর এন টেগোরে কথা হয়েছে সেখানে যা খরচ তা ওর বাবামায়ের বহনের ক্ষমতা নেই আমাদের অনেকের …… আমার এত ক্ষমতা সত্যিই নেই শিশুটিকে এস এস কে এম এ ভর্তি করতে পারি।…” ফেসবুকের মাধ্যমে ৩ দিনের শিশুটিকে বাঁচানোর জন্যে এভাবেই আর্তি জানিয়েছিলেন টলিউডের অত্যন্ত পরিচিত এডিটর অনির্বাণ মাইতি। মদন মিত্রকে ট্যাগ করা পোস্ট পৌঁছে যায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কাছে, বাকিটা ইতিহাস।
আরও পড়ুনঃ ‘ক্ষমতায় এলে পুলিশ দিয়ে এনকাউন্টার করাব,’ তৃণমূল কর্মীদের হুমকি বিজেপি বিধায়কের!
জানা গেছে প্রায় ৬ ঘন্টা সার্জারির শেষে প্রায় বিপদ মুক্ত বর্তমানে দিন সাতেকের সেই শিশু। কিছুক্ষন আগে অনির্বান ফেসবুকে আপডেট দিয়েছেন শিশুটিকে নিয়ে। লিখেছেন, “সত্যিই চ্যাম্প, তিনদিনের শিশু ৫/৬ ঘন্টার ম্যারাথন সার্জারির বাদে, ডাক্তারদের সমস্ত আশঙ্কা, আমাদের ভয়কে হার মানিয়ে এখুনি চোখ মেলে চেয়েছে। খিদে পেয়েছে এখন খাবেন। মায়ের খোঁজ পড়েছে। সবাইকে ধন্যবাদ।”
যদিও অনির্বান সংযোজন করেছেন, “ভয় পুরোপুরি কাটে নি। এখনো অবজারভেশনে থাকবে। ডাক্তারবাবুরা যথাসাধ্য করছেন ওনাদের কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। সব সময় দুজন স্টাফ ওকে নজরে রাখছে। সর্বোপরি বাচ্চাটার দূরন্ত লড়াকু মানসিকতা কুর্নিশ।”
সত্যিই চ্যাম্প… লিখলেন অনির্বান, টিম অভিষেককে কৃতজ্ঞতা একরত্তির পরিবারের

এদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর টিমের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করলেন শিশুটির বাবা জয়ন্ত দেবনাথ। তিনি বলেছেন, “চিকিৎসা শুরু হয়েছে। কিছুটা স্বস্তি বোধ করছি। যেভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর দলের সদস্যরা এবং এই গোটা কর্মকাণ্ডে যারা সেদিন থেকে সামিল হয়েছেন, তাঁদের মিলিত প্রচেষ্টায় আজকে আমরা লড়াইয়ে দাঁড়াতে পেরেছি। নাহলে তো তখনই হেরে যেতাম। এই ঋণ কোনও ভাবেই শোধ করা যায় না।”



