ঠাকুরপুকুর ধর্ষণ মামলা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দক্ষিণ কলকাতায়। এক তরুণীর অভিযোগ, পরিচিত এক যুবকের বাড়িতে তাঁকে জোর করে যৌন নির্যাতন করা হয় এবং তাঁর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণী শনিবার রাতে তাঁর এক পরিচিত যুবকের বাড়িতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেখানেই ওই যুবক তাঁর পোশাক ছিঁড়ে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পাশাপাশি, অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছাড়াও আরও দুই যুবকের নাম অভিযোগে রয়েছে। যদিও তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনে প্রত্যক্ষ ভূমিকার প্রমাণ এখনও মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে নির্যাতিতা এর আগেই নেতাজি নগর থানায় পৃথক একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ১১ তারিখেও ওই তরুণী একই বাড়িতে ছিলেন। পরের দিন সকালে অভিযুক্তের আরও দুই পরিচিত সেখানে আসে বলেও পুলিশ জানতে পেরেছে।
পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার প্রকৃত ক্রম, উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, একই দিনে কলকাতার আরেকটি এলাকায় এক ছাত্রীর উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে পৃথক একটি মামলা দায়ের হয়েছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে বলে পুলিশ জানায়নি।
এই মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। আদালতে অভিযোগের বিচার এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের আইনত দোষী বলা যায় না।



