নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না পড়ল ৫৬ দিনে। এদিকে মঙ্গলবারেই গ্রেফতার হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি ও তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। হবু শিক্ষকদের ধর্নামঞ্চে এদিন খুশির আমেজ দেখা দিলেও চাকরি না পাওয়া অবধি ধর্না চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চাকরি প্রার্থীদের। শুধুমাত্র গ্রেফতারি নয়, চাই চাকরিও, দাবি চাকরি প্রার্থীদের।
আরও পড়ুনঃ Liquor Sale: পুজোয় রাজ্যে রেকর্ড বিক্রি মদের, কলকাতাকে টেক্কা দিল জেলার সুরাপ্রেমীরা
বারবার চাকরি প্রার্থীরা নিজেদের বঞ্চনার কথা বলে আসছেন। তাঁদের বক্তব্য, মানিক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, দুর্নীতি প্রমাণ হলে সকলকে ডেকে চাকরি দেবেন। আদালতের কাছে সবটা প্রমাণ হয়ে গেছে। কোথাও নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আবার কোথাও সাদা খাতার বিনিময়ে চাকরি হয়েছে। মোটা টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হওয়ায় বঞ্চিত হয়েছেন যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা।

তাঁদের বক্তব্য, মানিক ভট্টাচার্য গ্রেফতার হলেও আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই রয়েছি। এখন দ্রুত নিয়োগের দাবি তুলছেন তাঁরা। নিয়োগ না হওয়া অবধি বিরাট আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চাকরি প্রার্থীদের। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, মানিকবাবুই তো এতদিন বলে আসছিলেন যোগ্যতা, মেধার ভিত্তিতে চাকরি হয়েছে। আজকে উনিও ওনার যথাযত যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন।
উল্লেখ্য, তৃণমূলের জমানায় এক দশক ধরে পর্ষদের সভাপতি আসনে বসেছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। তাঁর আমলেই নিয়োগের ক্ষেত্রে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে। তাই জন্য মানিক ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিল ইডি। কিন্তু সেই তথ্যে গরমিল থাকায় গতকাল তলব করা হয় তাঁকে। এরপর রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল বিধায়ককে।
শুধুমাত্র গ্রেফতারি নয়, চাই চাকরিও, দাবি হবু শিক্ষকদের

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে চুড়ান্ত দুর্নীতির কারণে দুই বার তাঁদেরকে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়েছে। পরে দুই বার ইন্টারভিউ দিতে যান তাঁরা। কিন্তু সরকার অযোগ্যদের চাকরি দেওয়ার কারণে বাদ পড়েছেন তাঁরা।



