নজরবন্দি ব্যুরো: পুজোয় কোন কোন মণ্ডপের প্রতিমা সেরা, সেই সব পুজো বেছে নিয়ে সম্মানিত করার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার রাতেই বিজয়ীদের তালিকা বেরোয়। থিম, আলোকসজ্জা, মণ্ডপসজ্জা, বিষয় ভাবনার নিরিখে বাংলার চারটি পুজোকে পুরস্কৃত করবেন রাজ্যপাল। কিন্তু দশমীতে পুরস্কার ঘোষণা করেলও, একাদশীতেই পর পর রাজ্যভবনের পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন রাজ্যের পুজো মণ্ডপ গুলি।
আরও পড়ুন: Sreelekha Mitra: হাতে পানীয় নিয়ে উদ্দাম নাচ, পার্টির ভিডিও পোস্ট করে ট্রোলের মুখে অভিনেত্রী


এবার কল্যাণী লুমিনাসের পথেই হাঁটল টালা প্রত্যয়। রাজভবনের অভ্যর্থনায় আপত্তি জানিয়ে দুর্গারত্ন, পুরস্কার মূল্য ফেরাল টালা প্রত্যয় ও কল্যাণী লুমিনাস। এপ্রসঙ্গে এদিন নদিয়ার কল্যাণীর আইটিআই মোড়ের (লুমিনাস ক্লাব) পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, রাজভবনের পুরস্কার তাঁরা সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করছেন। এরপরেই রাজ্যপালের দুর্গারত্ন নেবে না বলে জানিয়েছে টালা প্রত্যয়ও।

উত্তর কলকাতার অন্যতম সেরা পুজো কমিটির মধ্যে রয়েছে টালা প্রত্যয়। এবারে তাঁদের পুজোর থিম ছিল ‘কহন’। মণ্ডপ জুড়ে আলো-আঁধারির খেলা, যা চোখে লাগার মতই। যার জেরে রাজভবনের পুরস্কৃত তালিকায় তাঁদের নাম প্রথম। আর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কল্যাণীর আইটিআই মোড়ের লুমিনাস। এছাড়াও বাকি দুটির মধ্যে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বরাহনগরের ‘বন্ধুদল স্পোর্টিং ক্লাব’ ও ‘নেতাজি কলোনি লো ল্যান্ড’।



তবে তালিকার প্রথমে নাম থাকলেও বা কি, রাজ্যপালের পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করল টালা প্রত্যয়। এপ্রসঙ্গে টালা প্রত্যয় সোসাইটির সম্পাদক জানান, “কলকাতায় যারা দুর্গাপুজো করে তাদের মধ্যে যতই প্রতিযোগিতা হোক না কেন একটা ভ্রাতৃত্ববোধও কাজ করে। কীভাবে এটার বিচার করলেন জানি না। কলকাতায় শুনলাম একমাত্র আমরাই পেয়েছি। আর সেটাই বন্ডিং এর একটা জায়গায় ধাক্কা খাচ্ছে। কোনও বিচারক, প্রসেস ছাড়া এটা চলছে। আমরা তাই বিরত থাকছি।”
রাজ্যপালের অভ্যর্থনায় আপত্তি, কল্যাণী লুমিনাসের পথেই হাঁটল টালা প্রত্যয়








