কঠিন সময়কে জয় করার পোস্টে নীলাঞ্জনা কাছের মানুষ হিসাবে দুই মেয়ে ও বোন চন্দনার কথা উল্লেখ করেছিলেন, কিন্তু নাম নেননি যিশুর। তুলে দিয়েছেন ‘সেনগুপ্ত’ পরিচয়। সব মিলিয়ে টলিপাড়ার গুঞ্জন যে কিছুটা সত্যের পথে যাচ্ছে তা অনেকেই মেনে নিয়েছেন। তবে ভুল করেও মুখ খুলছেন না।
সাতসকালেই বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন যশ ও নুসরত। ইতি মধ্যে মুম্বাই চলে গিয়াছেন রিয়া ও রাইমা। এক কথায় এই হাইপ্রফাইল বিয়েতে টলিউড থেকে আমন্ত্রিত একঝাঁক শিল্পী।
তিনি আরও বলেন, "এই ভদ্রলোক সারা পৃথিবীর অল ল্যাঙ্গোয়েজের রাইটস কিনেছিলেন। তার মধ্যে দুটো ভাষায় বানিয়েছিলেন, তামিল আর মারাঠি। এই সিনেমার আত্মাটা ওঁর খুব কাছের। এমন গল্প তিনি নিজের মাতৃভাষায় বানাতে চেয়েছিলেন। আর মাধবন স্যর এক্স হ্যান্ডেলে আমাদের পুরো টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, এটা আমাদের অত্যন্ত উদ্দীপ্ত করবে”।
‘‘ওখানেও রাজপাট চালাবে বাংলার ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। আমার হিন্দি ছবির নায়ক দেব অধিকারী ছাড়া আর কেউ না। প্রযোজক দেব আর অতনু রায়চৌধুরী।’ যদিয়ও এই নিকে এক্কেবারে চুপ ঘাটালের সাংসদ দেব বা দীপক অধিকারী।
সংবাদমাধ্যমের সামনেও একই মত প্রকাশ করি। আমি মনে করি সোহমের ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং নিয়ম মেনে চলা উচিত। জনপ্রতিনিধি বলে নয়। কোনও মানুষেরই এমন করা উচিত নয়’।