এছাড়াও রোহিতের নিজস্ব টেস্ট ফর্মও বিতর্কের কেন্দ্রে। শেষ ১০টি টেস্টে তিনি করেছেন মাত্র ১৬৪ রান। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এক ম্যাচে নিজেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তাই অধিনায়কত্ব ফিরে পাওয়া নিয়েও বিস্তর আলোচনা চলেছে বোর্ডের অন্দরমহলে।
বিশ্বকাপের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত খেলে যেতে হবে রোহিতকে। আর তার জন্যই এবার সময় এসেছে খেলার স্টাইল নিয়ে নতুন করে ভাবার। কারণ, নিজেকে বদলানো মানেই ব্যর্থতা নয়— বরং সেটাই হতে পারে পুনরুত্থানের সূত্র।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের কঠিন সিরিজ সামনে রেখে ভারতকে নিজেদের পারফরম্যান্স উন্নত করতে হবে। সৌরভের মতে, রোহিত যদি দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং ব্যাট হাতে অবদান রাখেন, তাহলে ভারত টেস্ট ক্রিকেটে আবারও সাফল্য অর্জন করতে পারে।
তবে, টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাপারে কিছুটা অন্ধকারে আছেন রোহিত। যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে টেস্ট ক্রিকেটে আরও খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তার পারফরম্যান্স সিডনি টেস্টে আশাপ্রদ ছিল না। সেক্ষেত্রে, নির্বাচকদের সিদ্ধান্তের ওপরেই তার টেস্ট ক্রিকেটে ভবিষ্যত নির্ভর করবে। আপাতত, রোহিতের মনোযোগ শুধু আইপিএলেই সীমাবদ্ধ।
এখন আইপিএলের আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা বিশ্রামে থাকলেও, শীঘ্রই তারা আবার মাঠে নামবেন এবং আইপিএল ২০২৩-এর জন্য প্রস্তুতি নেবেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর তাঁদের এই বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা আইপিএলের সময় সুস্থ এবং ফিট থাকতে পারেন।
এবার আইপিএলের ২২ মার্চ শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। প্রথম ম্যাচে গত বছরের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স মুখোমুখি হবে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শেষে জাতীয় দলের সদস্যরা ও বিদেশি ক্রিকেটাররা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
রোহিত শর্মা জানেন, আইসিসি প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছাতে হলে পুরো দলকে একসাথে ভাল খেলতে হয়। তিনি বলেন, “এবারও এমনটাই হচ্ছে। ফাইনালেও একই ধরণের পারফরম্যান্স দেখতে চাই।” আপাতত বিশ্রাম নিয়ে রোহিত শর্মা ফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করবেন।