যেখানে ঝলকে ঝলকে উঠে এসেছে বাবা আর মেয়ের ভালবাসা, অভিমান, আদর, শাসন, একা বাবার লড়াই। উঠে আসবে রাজনীতিও। প্রতি দিন নিম্নবিত্ত পরিবারের অস্তিত্ব রক্ষার আপ্রাণ তাগিদ। আর থাকবে রণজয় ভট্টাচার্যের গাওয়া তাঁর নিজের লেখা ও সুরে 'আয় খুকু আয় খুকু আয় রে, চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যায়।'
অনামিকা সাহার বক্তব্য, তার গলা সুন্দর ছিল বলে শ্বশুর বাড়ির লোক তাকে বলতো রেডিওতে নাটক করবার জন্য। এইসময় ৫০০০ এরও বেশি নাটক করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার মেয়ে হওয়ার পরে তার আর এই কাজ ভাল লাগতো না, তখন তিনি শ্বশুরমশাইয়ের অনুমতি নিতে চান অভিনয় করবার জন্য। তিনি বলেন, 'শ্বশুর মশাই আমাকে বললেন ‘আমাদের কোন প্রেজুডিস নেই কিন্তু এমন কোন চরিত্রে অভিনয় করো না যেটা আমাদের বসে দেখতে খারাপ লাগে।’
'দিদি নম্বর ১' হোক বা অন্য রিয়্যালিটি শো, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় আসর জমাতে ওস্তাদ। কখনও দিলখোলা হাসি। কখনও সপাট জবাব। বাংলা, ওড়িয়া, বলিউডের এই নায়িকা সব ক্ষেত্রেই প্রাণবন্ত। শাশ্বতর 'অপুর সংসার শো'-তে আমন্ত্রিত ছিলেন রচনা। সেখানেই প্রসেনজিতের সঙ্গে তাঁর প্রেম না হওয়ার দুঃখ প্রকাশ তো করেইছেন।
একসময় টলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হিসেবে মানা হতো তাঁকে। এখনো টলিউডের উঠতি অভিনেত্রীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে তাকে। তবে সম্প্রতি একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অন্যের কেরিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার মত ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
প্রসেনজিৎ কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য চিরঞ্জিতের, তোলপাড় টলিপাড়া। চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর পিতা ছিলেন বিখ্যাত কার্টুনিস্ট শৈল চক্রবর্তী। এক্ষেত্রে তাঁর অনুপ্রেরণা অনেকটাই যুগিয়েছেন মানিক দা অর্থাৎ সত্যজিৎ রায়। সত্যজিৎ রায় ছাড়া তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি সন্দেশ পত্রিকার প্রচ্ছদ শিল্পী ছিলেন। এমনকি তিনি আঙ্গুল দিয়ে ছবি আঁকতে পারতেন।
এরপরেই অন্য একটি এপিসোডে সকলের প্রিয় বুম্বাদার সঙ্গে দেখা যায় অনুরাগ বসুকে। তারকাকে প্রথমে তার ক্রাশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ম্যাডোনা। এই পর্যন্ত ঠিক ছিল সমস্ত কিছু। তারপরেই যখন তার প্রথম ভালোবাসার মানুষটির পরিচয় জিগ্যেস করা হয়, কিছুটা থমকে গিয়ে তিনি বলেন, দেবশ্রী রায়। যা শুনে চমকে যায় সকলে। উল্লেখ্য, দেবশ্রী রায় প্রসেনজিতের প্রথম স্ত্রী। শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সময়ের সাথে সাথে বদলাতে থাকে পরিস্থিতি। একটা সময় ভাঙন দেখা দেয় দুজনের সম্পর্কে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বুম্বাদা নতুন করে জীবন শুরু করলেও আগের মতোই থেকে যান দেবশ্রী।