গর্ভাবস্থা একটি মেয়ের কাছে খুবই আনন্দের বিষয়। সন্তান একটি পরিবারে আসা যেমন তার মায়ের কাছে সুখদায়ক। তেমনই সেই পরিবারের কাছেও খুব আনন্দদায়ক। একটা মেয়ের গর্ভে যখন সন্তান আছে তখন তার পরিবার তাঁকে ভীষণ ভাবে যত্ন করে। সে কি খাবে না খাবে। সে কীভাবে উঠা পরা করবে, বসবে এমনকি কখন কখন কি কি খাওয়া উচিৎ অথবা কি খাওয়া উচিৎ না সমস্তটা খেয়াল রাখেন। কিন্তু সন্তান একবার পৃথিবীতে এসে যাওয়ার পর সেই খেয়ালটা আর কেউ রাখে না।
খাওয়া নিয়ে বাচ্চাদের ঝামেলার শেষ নেই। কখনো এই খাবোনা তো কখনো ওই খাবোনা। তার ওপর মাছ, মাংস, ডিম যদিও বা খায়। সবজি খাওয়ানো দুষ্কর হয়ে ওঠে। এদিকে শাক সবজি আমাদের শরীরের জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ ত আমরা সবাই জানি। তাই বাচ্চাদের সবজি খাওয়াতে সবজি টি অন্য ভাবে রান্না করে দেখুন। যাতে বাচ্চারা চেটে পুটে সেই খবর খায়।
সবুজ পেঁপেতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রয়েছে। এগুলো শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এই খনিজগুলি ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়াতেও সহায়ক। এটি মূল এনজাইমের বিরুদ্ধেও কাজ করতে পারে, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী।
কারন এই সমস্যা থাকার পরেও পেঁপের সংস্পর্শে আসলে তা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেয়। তবে শুধু এই রোগই নয়। কিডনিতে পাথর থাকলে সাময়িকভাবে এই ফল এড়ানো প্রয়োজন। কারন এই ফলে ব্যাপক পরিমানে ভিটামিন সি থাকায় পাথরের সম্ভাবনা আরও কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয়। তাই এই সমস্ত রোগের সঙ্গে লড়াই করে থাকলে পেঁপের থেকে দূরে থাকাই মঙ্গল।