ইসরোর বর্তমান চেয়ারম্যান এস সোমনাথের অধীনে ভারত মহাকাশ গবেষণায় একাধিক শিখর স্পর্শ করেছে। তাঁর নেতৃত্বে চন্দ্রযান ৩-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথমবার পা রাখে ভারত। নারায়ণনের জন্য এগুলো আরও বড় চ্যালেঞ্জ।
আর তারা হলেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন প্রশান্ত বালাকৃষ্ণন নায়ার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অজিত কৃষ্ণন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ প্রতাপ এবং উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্লা। এই মিশন সফল হলে ভারতই হবে চতুর্থ দেশ যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চিনের পর সফল ভাবে নভোশ্চরদের মহাকাশে পাঠাতে সক্ষম হবে।
এই মিশনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। যার মধ্যে উপযুক্ত মহাকাশযান তৈরিতে খরচ হবে ৮২৪ কোটি টাকা। সব কিছু ঠিক থাকলে, ২০১৮ সালের মার্চে পৃথিবী থেকে শুক্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে 'ভোম' মহাকাশযান।
২০২৩ সাল। মহাকাশ গবেষণায় ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাল। প্রথমবারের জন্য হাতে চাঁদ পেয়েছে ভারত। একেবারে সরাসরি ভারতের সঙ্গে চাঁদের নাম জুড়ে হয়েছে ‘ভারতচন্দ্র’!
ইতিহাস রচনা হয় গত বছর ২৩ অগস্ট! কারণ, প্রথমবারের জন্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছিল ভারতের চন্দ্রযান-৩। এবার চন্দ্রযানের সাফল্যের কারণে বিশ্ব মহাকাশ পুরস্কার পেতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চলতি বছর ২৪ অক্টোবর ইতালিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা আন্তর্জাতিক মহাকাশচারী কংগ্রেসে ইসরোকে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
মহাকাশে যে মানুষ পাঠাবে ভারত তা কার্যত চুড়ান্ত। কিন্তু, এত কঠিন মিশন বাস্তবায়িত করতে সময় লাগতে পারে বিজ্ঞানীদের। এর মধ্যে আবার চন্দ্রযান-৪-এর প্রস্তুতিও চলছে। সেখানে চাঁদের থেকে মাটি সংগ্রহ করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।