বেশ কিছু ছবিতে ছাত্রীদের ধূমপান করতে ও মদের বোতল দিয়ে গোপনাঙ্গ ঢাকতেও দেখা গিয়েছে বলে খবর। স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, ছাত্রীদের মধ্যে ছিল একাধিক নাবালিকাও।
পুলিশ সূত্রে খবর, তিন জনের শরীরে একাধিক জায়গায় ছুরির আঘাত রয়েছে। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে। এই খুন সম্পর্কে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, 'শুধু খুনের জন্য খুন নয়, এই খুনের পিছনে থাকতে পারে তীব্র প্রতিশোধস্পৃহা। খুনের ধরন দেখে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। এমন প্রতিশোধস্পৃহা এক রকমের মানসিক ব্যাধি।'
মঙ্গলবার রাতে অভিযোগ দায়েরের পর বুধবার সকালেই তাঁকে প্রথমে নিয়ে আসা হয় পিংলা থানায়। সেখান থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর আদালতে। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬, ৫১১, ৩৫৪বি, ৩২৩, ৩২৪, ৫০৬ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
লুটেরা বধূ! ২ বছরের সাত বিয়ে, স্বামীর ঘরেই ডাকাতি ঊর্মিলার। এ যেন বাস্তবের ‘ডলি কি ডোলি’! বিয়ে করে টাকা, গয়না হাতিয়ে নেওয়াটাই তাঁর পেশা ছিল। এর জন্য তৈরি করেছিলেন একটি গ্যাং। যাঁরা পাত্রপক্ষের কাছে নিজেদের পাত্রীর বাবা, মা, দাদা হিসেবেই পরিচয় দিতেন। ঠাটবাট, বেশভূষায় কোনও ভাবেই বোঝার উপায় ছিল না যে এটা বড়সড় একটা চক্র।
চুল কেটে, মুখে কালি লাগিয়ে ঘোরানো হল গণধর্ষিতাকে, অমানবিক ঘটনার সাক্ষী রাজপথ। ঘটনাটি দিল্লির কস্তুরবা নগরের। অভিযোগ, বছর কুড়ির তরুণী গণধর্ষণিতা হন বেআইনি মদের কয়েক জন কারবারির কাছে। সেই তরুণীকেই এ বার এক তরুণের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে তাঁর উপর হামলা চালালেন মহিলারা। তাঁর মাথা মুড়িয়ে, গলায় জুতোর পরিয়ে, মুখে কালি লেপে রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠল ওই মহিলাদের বিরুদ্ধে।
সন্তানকে নিয়ে বচসা, স্ত্রীর হাতে খুন হলেন স্বামী। সাত বছরের শিশুকে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ। আর সেই বিবাদ থেকেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন দম্পতি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। অন্যদিকে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভরতি স্ত্রী। রবিবার রাতের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাগরদিঘি থানার অমৃতপুর এলাকায়।