ভোট পরিচালনার প্রশ্নে সর্বোচ্চ ক্ষমতা আছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের আছে। এই গুরুতর পরিস্থিতিতে আদালত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিক।
রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে এ বছর গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখার দাবি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল। পরে আরও পাঁচটি মামলা যুক্ত হয়। মঙ্গলবার গঙ্গাসাগর মেলায় শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে আদালত।
কোটি ছাড়াবে করোনা সংক্রামনের সংখ্যা, গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধের দাবি চিকিৎসকদের। চিকিৎসকদের দাবি, এখনও যদি বন্ধ না হয়, তাহলে রাজ্য বিপদসীমায় পোঁছে যাবে। সোমবার গঙ্গাসাগর মেলা সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চে এ দিন আর্জি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, ১৪ তারিখ পর্যন্ত মেলা চললে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। সেই অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেখানেই তাঁর আইনজীবী জানান, সিসিটিভির মাধ্যমে শুভেন্দুর ওপর নজরদারী রাখা হচ্ছে।
রাজ্যের গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতকে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বিধি মেনেই হবে গঙ্গাসাগর মেলা।
পরিকাঠামোগত ত্রুটির অভিযোগে প্রকল্প স্থগিত রাখার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের তরফে দুয়ারে রেশন প্রকল্প স্থগিতের মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।