বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যে ওষুধটি প্রসূতিদের দেওয়া হয়েছিল, তা পরীক্ষার জন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এতে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ফের গোষ্টীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত বর্ধমান। এদিন আরও একবার প্রকাশ্যেই গেরুয়া শিবিরের আদি-নব্যের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। কোন্দল এতটাই ঘিরে পৌঁছয় যে সংগঠনের নেতাকে মারধরের অভি্যোগ ওঠে। আহত ওই নেতাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।