ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত বর্ধমান, চিন্তিত পদ্মশিবির

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত বর্ধমান। এদিন আরও একবার প্রকাশ্যেই গেরুয়া শিবিরের আদি-নব্যের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। কোন্দল এতটাই ঘিরে পৌঁছয় যে সংগঠনের নেতাকে মারধরের অভি্যোগ ওঠে। আহত ওই নেতাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। এদিন গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে আহত হন আরএসএস-এর শাখা সংগঠনের নেতা। তাঁকে মারধর করার অভিযোগে গ্রেফতার হন বিজেপির তিন নেতা-কর্মী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

আরও পড়ুন:লক্ষাধিক প্রার্থীদের মুখে হাসি ফুটিয়ে অবশেষে চালু হতে চলেছে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া

পদ্মশিবিরের আদি-নব্য দন্দে স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছে গোটা গেরুয়া শিবির। শিয়রে ২১ এর নির্বাচন। তা যেনতেন প্রকারে জিততে মরিয়া বিজেপি। নির্বাচন কাছে আসতেই ঘাসফুল থেকে পদ্মশিবিরে নাম লেখাচ্ছেন মন্ত্রী-বিধায়ক থেকে শুরু করে তৃণমূলের দলীয় কর্মীরা। বৃহস্পতিবার দলের আদি ও নব্যর লড়াইয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বর্ধমানের ঘোড়দৌড়চটি। সেই তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরএসএস-এর শাখা সংগঠনের নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন বিজেপির তিনজন নেতা-কর্মী।

জখম মিলন বিশ্বাস, আএসএস-এর শাখা সংগঠন স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের জেলা সহ সংযোজক। তাঁর বাড়ি বর্ধমানের রসুলপুরে। এই নেতার অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে রসুলপুর স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার পরই তাঁর উপর চড়াও হন কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। স্টেশনের কাছে বিজেপির পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় তাঁকে।পরে বিনয়পল্লিতে নিয়ে গিয়েও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

যদিও গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের নেতা। তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার গন্ডগোলের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। মারধরের ঘটনায় মেমারির বিজেপির কিষাণ মোর্চার নেতা বিপ্লব বিশ্বাস,বিজেপি যুব মোর্চা নেতা কানাইলাল সরকার এবং বিজেপির শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ সদস্য সুরজিৎ মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পদ্মশিবিরের এহেন ঘটনায় শুরু হয়েছে শাসক- বিরোধী তরজা।

ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান কিষাণ মোর্চার সভাপতি দেবাশিস সরকারের অভিযোগ, তৃনমুল, পুলিশকে দিয়ে নেতাদের গ্রেপ্তার করিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমান তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিয় সামন্ত বলেছেন, যিনি মার খেয়েছেন এবং অভিযোগ করেছেন তিনি বিজেপি করেন। এর সঙ্গে তৃনমুলের কোনও সম্পর্ক নেই। তাদের অস্তিত্ব না থাকার জন্য মিথ্যা করে তৃনমুলের নামে দোষ চাপাচ্ছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন