নজরবন্দি ব্যুরোঃ লিঙ্গ পরিচয়ের অধিকার শুধুমাত্র নারী-পুরুষের নয়, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদেরও রয়েছে। কিন্তু সভ্যতার এই প্রান্তে এসেও সমাজ এখনও তা মানতে নারাজ। রূপান্তরকামী, রূপান্তরিতরাও যে মানুষ, আর পাঁচটা সাধারন মানুষের মতই তারা। এটা কবে সমাজ বুজবে? এই প্রশ্ন এখনও রয়ে গিয়েছে। এমনই কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর খুজতে সুস্মিতা সেনের ‘তালি’ পর্দায় হাজির হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “কারা রটিয়ে বেড়িয়েছে আমার নাকি ক্যান্সার হয়েছে” এবার মুখ খুললেন নচিকেতা


এই সম্পূর্ণ ওয়েব সিরিজটি রূপান্তরিত সমাজকর্মী শ্রীগৌরী সাওয়ান্তের বায়োপিক। সেই গৌরীর চরিত্রেই অভিনয় করেছেন গৌরী সেন। প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী একজন রূপান্তরকামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তা সত্যি প্রশংসিত। বলাবাহুল্য। এই সিরিজে অভিনেত্রী নিজের সবটা উজার করে দিয়েছেন। তবে দর্শকদের হয়তো অভিনেত্রীকে এই চরিত্রে খুব একটা পছন্দ হয়নি। তার অভিনয় দর্শকদের মন স্পর্শ করতে পারেনি।

অনেকে আবার মন্তব্য করেছেন সুস্মিতার জায়গায় গৌরী সবন্ত নিজেও এই চরিত্রে অভিনয় করতে পারতেন। গল্পটি জুড়ে আমরা দেখতে পারছি এই গৌরি প্রথমে গণেশ হয়ে হয়ে জন্মগ্রহন করেছিলেন। সে কিশোর বয়েসেই ঘর ছাড়েন। এবং নিজের বাড়ি ছেড়ে সোজা দিল্লি চলে যান। এরপরেই শুরু হয় তার লড়াই। বলা চলে তার পরিচয়ের লড়াই।
‘তালি’তে রূপান্তরকামীর চরিত্রে গৌরী, সাধারন মানুষদের মনে কতটা প্রভাব ফেলল এই ওয়েব সিরিজ



রবি যাদব পরিচালিত এরকম ওয়েব সিরিজ বা সিনেমা সমাজে দরকার রয়েছে। কারন ছবির মাধ্যমে হয়তো সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পালটানো না গেলেও বাস্তব ঘটনাতো সমাজের চোখে তুলে ধরা যায়। কারন গল্পটা সকলেরই জানার প্রয়োজন রয়েছে। আর একজন রূপান্তরকামীর স্বাধীনতারই গল্প বলে তালি।







