নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছর বেআইনি কাঠ সংগ্রহ করে নিজের বাড়িতে রাখার অভিযোগ কে ঘিরে স্বপ্নার বাড়ি তল্লাশি চালাতে দেখা গিয়েছিল বনদফতরের আধিকারিকদের। যা নিয়ে সেই সময় নেট মাধ্যমের সামনে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন জলপাইগুড়ির এই সোনাজয়ী। এছাড়াও একাধিক কারন নিয়ে বহুদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি যারফল স্বরপ আর ট্রাকে না ফেরার সিদ্ধান্ত স্বপ্না বর্মণের।
আরও পড়ুনঃবাংলার ক্রিকেটে শোকের ছায়া, চলে গেলেন মুর্তাজা লোধগার


ঘণ্টাকয়েক আগেই ওয়ারাঙ্গলের ন্যাশনাল ওপেন অ্যাথলেটিক্স থেকে সোনা জিতেছেন এই তারকা। কিন্তু কিছুসময় কাটতে না কাটতেই ট্র্যাক ছাড়ার ভাবনা স্বপ্নার, যা নিয়ে বিস্মিত গোটা দেশের ক্রীড়া মহল। এই সোনা জয়ী বলেন,“আমার শরীর আর নিতে পারছে না। মানসিক দিক দিয়ে আমি খুব বিপর্যস্ত। তাই আমার পক্ষে ব্যাপারটা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে না।” তবে এখনও পর্যন্ত তিনি সরকারিভাবে কিছু না জানালেও কলকাতায় ফিরে তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা সকলকে জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পাশাপাশি ওয়ারাঙ্গলের এই ন্যাশনাল ওপেন অ্যাথলেটিক্স নিয়ে বছর চব্বিশের এই সোনাজয়ী বলেন, জাতীয় ওপেনে নামার কোনো পরিকল্পনারই ছিল না তাঁর, কিন্তু রেলের কাছে দায়বদ্ধ থাকায় এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে বহুদিন ধরেই মানসিক দিক থেকে যথেষ্ট বিধ্বস্ত হয়ে রয়েছেন সেইসঙ্গে রয়েছে পিঠের চোট তাই নিজের দিক থেকে ট্র্যাকে না ফেরার বিষয়টি ৯০ ভাগ নিশ্চিত করেছেন তিনি।
ট্রাকে না ফেরার সিদ্ধান্ত স্বপ্না বর্মণের, মানসিক অবসাদে এই তারকা



কিন্তু স্বপ্নার এই সিদ্ধান্ত কে প্রাধান্য দিতে নারাজ তাঁর কোচ সুভাষ সরকার, তারমতে আবেগে কে প্রাধান্য দিয়েই এমন কোনো কাজ করবে না তাঁর ছাত্রী। তাহলে কী ট্র্যাক কে বিদায় জানাবেন স্বপ্না ? সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।







