নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতিতে জর্জরিত রাজ্য সরকার। এটাই বিরোধীদের কাছে মোক্ষম সুযোগ। এমত অবস্থায় কর্মীদের মনোবলের কথা ভেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একান্ত বৈঠক কোনভাবেই মেনে নিচ্ছিলেন না সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দদু অধিকারীরা। সেকারণেই দিল্লিতে দরবার করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সমস্ত জটিলতা পেরিয়ে তা হচ্ছে। কিন্তু এত সহজে হাল ছাড়তে নারাজ শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরলেই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি। সেইমতো তৈরি হচ্ছে পরিকল্পনা।
আরও পড়ুনঃ Rahul Gandhi: নরেন্দ্র মোদিকে ভয় পাই না, সাফ জানিয়ে দিলেন রাহুল


আজই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪ দিনের বিস্তর কর্মসূচির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছে একান্তে বৈঠক। শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একইসঙ্গে ওই দিন সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের কারণে আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে এর প্রভাব পড়তে চলেছে। সেটা ভালোমতো আন্দাজ করতে পেরেছেন রাজ্য নেতৃত্ব। ১১ অগাস্ট দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন শুভেন্দু। উপরাষ্ট্রপতি পদে জগদীপ ধনকড়ের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনি।


এর আগে রাজ্যের একাধিক ইস্যু নিয়ে জগদীপ ধনকড়ের দরবার করেছেন শুভেন্দু। যা নিয়ে ব্যাপকভাবে তৃণমূলের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি ও রাজ্যপালকে। এখন আবার জগদীপ ধনকড়ে শপথ অনুষ্ঠানে শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তৈরি হচ্ছে পরিকল্পনা, ফের দিল্লি যাবেন শুভেন্দু

তৈরি হচ্ছে পরিকল্পনা, ফের দিল্লি যাবেন শুভেন্দুতবে শুভেন্দুর এই দিল্লি সফরকে এত আলগাভাবে নিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল। কিছুদিন আগেই দিল্লি গিয়েছিলেন শুভেন্দু। আলাদা করে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহের সঙ্গে। একদিনে ৮ টা বৈঠক করেছিলেন তিনি। এবারেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







