চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারনা, আদালতে স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ রাখাল!

চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারনা, আদালতে স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ রাখাল!
চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারনা, আদালতে স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ রাখাল!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারনা, আদালতে স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ রাখাল!  রাজ্যের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরাকে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল মানিকতলা থানা। অভিযোগ ছিল, ২০১৯ সালেই চাকরির টোপ দিয়ে বিপুল টাকা আত্মসাৎ করে তৎকালীন সেচমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ রাখাল। সেই মামলারই শুনানি হচ্ছিল আদালতে। সেখানেই রাখার চিৎকার করে ওঠেন, আমাকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিন!

আরও পড়ুনঃ আটক পিকের আইপ্যাক, কালই ত্রিপুরা যাচ্ছেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী-আইনমন্ত্রী

কাঁথি থানায় একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় তার উপর মামলা চলছে। একটিতে তিনি জামিন পেলেও অপর আরেকটিতে ৪ দিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে। রাখাল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই বারবার উঠে আসছে শুভেন্দু অধিকারীর নাম। গত ৬ই জুন পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাঁকে। এর পরই রাখালের নামে চলা মামলার দায়িত্বভার যায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে।

চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারনা কাণ্ডে দফায় দফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর কমপক্ষে ৫০ জন কর্মপ্রার্থীর থেকে টাকা নিয়েছেন রাখাল এবং তাঁর সহযোগীরা। শুধু মানিকতলা থানায় প্রায় ১০ টি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে রাখালের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সেচমন্ত্রীর দুই ঘনিষ্ঠ নেতা মানিকতলা থানার অন্তর্গত সাহা ইন্সটিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স আবাসনের একটি ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠান চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে।

সুজিত(প্রতারিত) সময় মত পৌঁছে দেখেন সেখানে তার মতই বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী অপেক্ষমান। সুজিত দে থানায় লিখিত অভিযোগ করে জানিয়েছেন চাকরি দেওয়ার জন্যে অগ্রিম হিসেবে ২ লক্ষ টাকা নেন রাখাল বেরা। এই বিষয়ে রাখালের আইনজীবী দাবি করেছেন, যেহেতু তাঁর মক্কেল শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ ব্যাক্তি তাই তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।

চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারনা, আদালতে স্বেচ্ছামৃত্যু চাইলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ রাখাল!

এহেন রাখাল বেরা আজ আদালতে চিৎকার করে বলেন, আমাকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিন! যদিও মোউখিক ভাবে আবেদন করলেও লিখিত ভাবে কিছুই জানাননি রাখাল তাঁর আইনজীবী অনির্বাণ চক্রবর্ত্তী বলেন, এই ধরনের আবেদন আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। তবে রাখালকে যেভাবে একের পর এক মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে তাতে সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি ওই ধরনের কথা বলছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here