নজরবন্দি ব্যুরোঃ আটক পিকের আইপ্যাক-এর ২৩ সদস্য। ২১ এর ভোটের আগের থেকেই মমতা বন্দোপাধায়ের দলের হয়ে কাজ করছে পিকের আইপ্যাক। বিপ্লবের রাজ্যের আঁটঘাট বুঝতে, তৃণমূলের হয়ে সমীক্ষা করতেই ২৩ সদস্যের টিম গিয়েছিল ত্রিপুরা।
আরও পড়ুনঃ ২০০১ এর পুনরাবৃত্তি! মমতা-সনিয়া বৈঠকের আগেই জোটের সুতো বাঁধছেন কমল


সেখানেই ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ রবিবার রাত থেকে তাঁদের আগরতলার একটি হোটেলে আটকে রেখেছে ত্রিপুরা পশ্চিম থানার পুলিশ। বহুবার আটকের কারণ জানতে চেয়েও মেলেনি কোন সদুত্তর। মাঝে সোমবার পেরিয়ে যাওয়ার পর অবস্থার নড়চড় না দেখে এবার আসরে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।
আগামীকালই ত্রিপুরা যাচ্ছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সঙ্গে যাচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আগামীকাল সকাল ৯.২০ মিনিটে কলকাতা থেকে বিমান ধরবেন তাঁরা। ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূলকে ভয় পেয়েই আইপ্যাকের সদস্যদের কাজে বাধা দিচ্ছে বিজেপি সরকারের পুলিশ। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পর জাতীয়স্তরের রাজনীতিতে ঝাঁপিয়েছে মমতার দল।
রবিবার থেকে ত্রিপুরায় আটক পিকের আইপ্যাক-এর ২৩ জন।

আর মুকুল তৃণমূলে আসার পর থেকেই ভারী হচ্ছে ত্রিপুরার ঘাসফুল শিবির। সেদিক থেকে দেশ জয়ের প্রথম টার্গেট বিপ্লব দেবের ত্রিপুরা। সেখানেই সমীক্ষা করতে গিয়েছিল টিম আইপ্যাক। গত এক সপ্তাহ ধরে ত্রিপুরার একাধিক স্থানে সমীক্ষা করেন তাঁরা। ত্রিপুরার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আশিস লাল সিং-এর অভিযোগ, রবিবার রাতে রুটিন তল্লাশির নামে আইপ্যাকের সদস্যদের প্রথমে একদফা হেনস্থা করে ত্রিপুরা পশ্চিম থানার পুলিশ। এর পর সোমবার সকালেও তাঁরা হোটেল থেকে বেরনোর সময় পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ।


ঘটনার প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তর ত্রিপুরায় যুবরাজ নগরে প্রতিবাদ মিছিল করেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। রাজ্যের একাধিক জায়গাতেও চলছে প্রতিবাদ মিছিল। ত্রিপুরার স্থানীয় নেতাদের মতে রাজ্যে কথা বলার অধিকার হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে ত্রিপুরার তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের এই প্রতিবাদে মিশে আছে ২১ এ জুলাইয়ের খেদও।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



