নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২ মে বহরমপুরের একটি মল থেকে সিনেমা দেখে ফিরে আসার সময় শহীদ সূর্য সেন রোডের কাছে নিজের মেসের সামনে খুন হন সুতপা। তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীকে খুন করে তাঁরই পূর্ব পরিচিত মালদার বাসিন্দা সুশান্ত চৌধুরী। সুতপাকে খুন করে মালদা পালিয়ে যাওয়ার সময় সামশেরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র চিঠি দিয়ে চুপ থাকলেন না, আগামীকাল থেকেই গুরুংয়ের অনশন শুরু


এই ঘটনায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মর এসেছে সুতপা ও সুশান্তের পরিবারেরে পক্ষ থেকে। কিছুদিন আগেই সুশান্তের পিসি জানিয়েছিলেন সুতপার পরিবারের সঙ্গে পরিচয় ছিল সুশান্তের। জেরায় সুশান্ত সুতপার সাথে তার প্রেমের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে জানিয়েছিল তার পরিবারে সবাই জানত তাদের সম্পর্কের কথা। এই ঘটনা অস্বীকার করে সুতপার বাবা।

আর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খুনের ঘটনা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত নেট পাড়ার নাগরিকরা। সুতপা এবং সুশান্তের প্রণয় সম্পর্ক ঘিরে তপন ওয়াইটি নামে এক ফেসবুক ইউজার কতগুলি ছবি তার নিজের ওয়ালে ছেড়েছেন। এবং তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে সুশান্ত এবং সুতপার মধ্যে একটা ভালো সম্পর্ক ছিল। এই ছবিগুলো পোস্ট করে তিনি সুতপার পরিবারের কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন।



তিনি লিখেছেন সুশান্ত, সুতপাকে উত্ত্যক্ত করতো বা হুমকি দিত এই অভিযোগগুলো মিথ্যে নয় তো? সুতপা এবং সুশান্তের সম্পর্কের মাঝে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েননি তো সুতপার বাবা স্বাধীন বাবু? তিনি সুতপার এই পরিণতির জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী নয় তো? এই ছবিগুলি কখন এবং কোথায় তোলা হয়েছে তা নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি তপন ওয়াইটি নামে ওই ফেইসবুক প্রোফাইলের ব্যক্তি।

সুতপা-সুশান্তের ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, কিছু প্রশ্ন সুতপার পরিবারকে

নজরবন্দিও এই ছবিগুলি সত্যতা যাচাই করেনি। এই ছবিগুলি দেখার পর নেট মাধ্যমে অনেকেই বলেছেন সুতপার সঙ্গে সুশান্তের ছবিগুলি বলে দিচ্ছে এই দুজনের সম্পর্ক যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ ছিল। তাছাড়া এভাবে ছবি তোলা সম্ভব হতো না।

ছবিগুলি শুক্রবার পোস্ট করা হয়েছে ‘তপন ওয়াইটি’ নামের ওই অ্যাকাউন্ট থেকে। সেই সব ছবি বহু বার শেয়ারও হয়েছে ঝড়ের গতিতে। ফলে এই খুনের তদন্ত কি এবার আরও জটিল হল? বলবে সময়।








