নজরবন্দি ব্যুরো : ‘সন্ত্রাসে মদতকারীদের দোষী সাব্যস্ত করা উচিত’, সন্ত্রাসকে মদত দেয় পাকিস্তান। আর তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত। এদিন নাম না করেই পাকিস্তানকে নিশানা করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর চিনের সামনেই এইটিকে সাই দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবারই ব্রিকসের ভার্চুয়াল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুনঃ মিশন-২১, চলতি মাসেই ফের রাজ্যে আসতে পারেন অমিত শাহ।


এইখানে দাঁড়িয়েই তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্বে সবথেকে বড় সমস্যা হল সন্ত্রাসবাদ। যে দেশগুলি জঙ্গিদের সাহায্য এবং সমর্থন করে, তাদের দোষী সাব্যস্ত করার প্রয়োজনীয়তা আছে।” এর পাশাপাশি পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানো চিনকেও তোপ দাগলেন তিনি। আর তারই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নয়া কৌশলকে এদিন ব্রিকসের ‘দুর্দান্ত কৃতিত্ব’ হিসেবে চিহ্নিত করেন মোদি। যা মঙ্গলবারের বৈঠকে গৃহীত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর ফলে সন্ত্রাস দমনে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে পারবে ব্রিকসের পাঁচ সদস্য দেশ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা)। নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দেন, আগামী বছর ব্রিকসের সভাপতি হিসেবে সন্ত্রাসবিরোধী কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে নয়াদিল্লি। আর সেই প্রসঙ্গেই মোদির মন্তব্যে সমর্থন করেন পুতিন। তিনি জানানা, কায়কটি দেশ হল ‘পরিবারের কুলাঙ্গারের মতোন।’
‘সন্ত্রাসে মদতকারীদের দোষী সাব্যস্ত করা উচিত’, সন্ত্রাসবাদের মতোন, সমস্যার সমাধানে বিশ্বের কোনও দেশ ন্যূনতম আত্মতুষ্টি দেখাতে পারবে না বলে জানান পুতিন। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবিলার ক্ষেত্র হিসাবে সব দেশকেই একত্র ভাবে লড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে ব্রিকসের দেশগুলি। তিনি আরও জানান, অর্থনীতির ক্ষেত্র হিসাবে দিশারি হতে পারে আত্ম নির্ভর ভারত অভিযানও। যা বিশ্বের অর্থনৈতিক বাজারে বড়সড় প্রভাব ফেলবে।









