নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যবাসীর জন্য স্বস্তির খবর, ওড়িশার দিকে সরে গেল সুপার সাইক্লোন ‘ইয়াস’। বলা হচ্ছিল বুধবার বাংলায় আছড়ে পড়বে আম্ফানের থেকেও বিধ্বংসী ঘুর্নিঝড়(yash cyclone)। কিন্তু সেই সময় পরিবর্তিত হতে চলেছে। যত স্থলভাগের কাছাকাছি আসছে তত গতি বাড়ছে এই প্রবল ঘুর্ণিঝড়ের। গতবছরের আমফানের প্রভাব এখনো ভোলেনি মানুষ। আবহাওয়াবিদরা বলছেন আম্ফান ঘুর্নিঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৩৩ কিলোমিটার। সেখানে ইয়াস ঘুর্নিঝড় সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার গতি নিতে পারে। তবে স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় এই ঝড়ের তীব্রতা থাকবে ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।
আরও পড়ুনঃ অনুমতি মিলল কেন্দ্রের, মুখ্যসচিব পদে মেয়াদ বাড়ল আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের


আবহাওয়া দফরের বুলেটিন অনুযায়ী, এখন ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে ইয়াস। এই মুহূর্তে দিঘা থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এই ঘূর্ণিঝড়। রাজ্যবাসীর জন্য স্বস্তির খবর, গতিবেগ বাড়ার পাশাপাশি গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে ইয়াস-এর। পশ্চিমবঙ্গ উপকূল থেকে আরও কিছুটা ওড়িশার দিকে সরে গিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ। বুধবার দুপুরে ওড়িশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মধ্যে ওড়িশার বালেশ্বরের দক্ষিণ ও ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম এই প্রবল ঘুর্নিঝড়। (Super Cyclone Yash Live tracking)
গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে স্থলভাগের দিকে এগোচ্ছে ইয়াস। এই মুহূর্তে ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব, ওড়িশার বালেশ্বর থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব, পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব ও সাগর দ্বীপ থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে ইয়াস।
সমুদ্রে ৬ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছাস হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। স্থলভাবে প্রবেশ করার সময় ঝড়ের গতি থাকবে ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যা সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। সোজা বাংলায় আছড়ে না পড়লেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



