রক্ষকই ভক্ষক! টালা থানায় তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি সুকান্তের

আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। আর এবার টালা থানায় তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

শনিবার বাঁকুড়া শহরের মাচানতলায় আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সন্ধ্যে ছ’টার পর ময়নাতদন্ত করা যায় না। সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম আছে। তা সত্ত্বেও টালা থানার ওসি তাড়াতাড়ি ময়নাতদন্তের সুপারিশ করেছিলেন। রুক্ষকই ভক্ষক। পুলিশই তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছে। টালা থানার ওসি নির্দেশ দেন, এটা বিশেষ কেস। তাড়াতাড়ি ময়নাতদন্ত করা হোক। এই থানা রেখে লাভ নেই, তালা লাগিয়ে দেওয়া হোক।”

টালা থানার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেই পুলিশ আধিকারিকদের অফিসে তালা লাগিয়ে দেওয়া দরকার, বিজেপির মহিলা মোর্চাকে পরামর্শ দিলেন সুকান্ত। পাল্টা, “পাগলের প্রলাপ, এমন মানুষ কেন্দ্রের মন্ত্রী হয়েছেন, এটা বাংলার দুর্ভাগ্য, সামনে উপনির্বাচন আছে, তাই ভুলভাল বকছেন”, বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে নিশানায় নিলেন বাঁকুড়ার তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী।

অন্যদিকে, এদিন পুরসভা পরিচালিত অনুষ্ঠান মঞ্চের গেট তালাবন্ধ থাকায়, গেট টপকে ঢোকেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক। পুলিশ ও মহকুমা শাসকের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুরসভা তালা খোলেনি, অভিযোগ সুকান্ত মজুমদারের। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের কটাক্ষ, গোটাটাই বিজেপির নাটক। এই মুহূর্তে টালা থানার ওসি সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি, সেটাই দেখার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর