একুশের বিধানসভার পুনরাবৃত্তি চব্বিশের লোকসভাতেও? সেই রকমই অভিযোগ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব পদ্ম-শিবির। শুক্রবার রাজভবনে ২০০ জন আক্রান্তদের নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তাঁদের পুলিশ ঢুকতে বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ। হাই কোর্টের দ্বারস্থও হন বিরোধী দলনেতা। যদিও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বেরিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করেন। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন: রাইসিনা হিলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ সুকান্তের
এই মুহূর্তে দিল্লিতেই রয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী করেছে এনডিএ সরকার। আজ, শনিবার কলকাতায় ফিরবেন তিনি। তার আগে অবশ্য দিল্লিতে বসেই একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ভোট পরবর্তী হিংসা ও পুলিশের তরফে শুভেন্দু অধিকারীকে রাজভবন প্রবেশে বাধা প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তিনি। সুকান্তর সাফ কথা, “মুখ্যমন্ত্রী কী চাইছেন স্পষ্ট করে বলুন। বিজেপি কর্মীরা কী ওনার বাড়ির সামনে গিয়ে আত্মহত্যা করবে না কী করবে? রাজ্যপালকে বেরিয়ে দেখা করতে হচ্ছে! বাংলায় সংবিধানকে নষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।”

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করেছে বিজেপি। সেই কমিটি আসবে রাজ্যে তদন্তে। এই কমিটিতে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব দেব, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ও বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশের রাজ্যসভা সাংসদ কবিতা পাতিদার।
মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে আত্মহত্যা করবে বিজেপি কর্মীরা? ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত

বিজেপির তরফে সাফ বলা হয়েছে, গোটা দেশের তুলনায় বাংলায় হিংসা বেশি হয়েছে। এ রাজ্যে নানান প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হবার ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। পাল্টা, তৃণমূলের তরফে বলা হচ্ছে, বিজেপিও তাদের কর্মীদের মারধর করছে। সব মিলিয়ে ফের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। তবে, আর একটাও প্রাণ যাক, চাইছেন না সাধারণ মানুষ।



