নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই রাজ্যে মনোনয়নপর্ব থেকে যে অশান্তির অধ্যায় শুরু হয়েছে, তা এখনও অব্যহত! এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটে ২০ দিনে ৬ জেলায় খুন হয়েছে ১১ জন। কিন্তু কমিশনের তালিকায় এই মৃতের সংখ্যা ৫। রাজ্যজুড়ে প্রায়শই খুন, হামলা, বোমাবাজির ঘটনা ঘটে চলছে! এইবার এই হিংসার ঘটনায় বিরোধী দল গেরুয়া শিবিরের হুঁশিয়ারির মুখে পড়ল তৃণমূল!
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার নদিয়ার নবদ্বীপে প্রার্থীদের সমর্থনে মিছিলে অংশ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আর ওই মিছিল থেকেই একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। জানা গিয়েছে, আজ শ্যামপুর বাজার থেকে রাওতারা পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে মিছিল করেন সুকান্ত মজুমদার। আর সেই মিছিল থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “যদি এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেস ভাবে রক্তের হোলি খেলবে, তাহলে বিজেপিও পিছিয়ে থাকবে না। তৃণমূলের মতোই বিজেপিকেও সেই খেলাতে নামতে হবে। তখন যেন আমাদের কেউ দোষ না দেয়। কেউ যেন না বলে, বিজেপি আইন-শৃঙ্খলা মেনে চলছে না। এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশন পদক্ষেপ না নিলে বিজেপি বাধ্য হবে ব্যবস্থা নিতে।”

প্রসঙ্গত, এর আগেও বিরোধী প্রার্থীদের মারধর এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগে শাসকদলকে বিঁধেছেন সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি সীমান্ত বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন সুকান্ত। সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করে লেখেন, “বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। বাস্তবে তিনি বিজেপিকে ভয় পেয়ে প্রচারে নেমেছেন। আসলে দুর্নীতির দায়ে তৃণমূলের পায়ের নিচের মাটি আলগা হয়ে যাচ্ছে। সেজন্যই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নার্ভাস হয়ে পড়ছেন। আর এই ভয়েতেই তিনি সবরকম হিংসা এবং আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির করার চেষ্টা করছেন। আসলে এই সব কিছুর মাস্টারমাইন্ড হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।”

এদিকে, ইডির তলবের পর থেকেই একাধিক কর্মসূচি বাতিল করেছেন সায়নী ঘোষ। তাছাড়াও এই প্রসঙ্গে কোথাও প্রতিক্রিয়াও দেননি তিনি। এবার সেই ইস্যুতে সায়নী ঘোষকে নিশানা করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বললেন, “যুব তৃণমূল নেত্রী বোধ হয় ভয় পেয়েছেন। এরপর সিনেমা বেরবে সায়নী অন্তর্ধান রহস্য। আমরা শুনেছি যুব তৃণমূল নেত্রী সায়নী যে গাড়ি চড়েন সেটাও কুন্তলের টাকায় কেনা। কিন্তু এরকম একজন অভিযুক্তের টাকায় কেন গাড়ি চড়েন সায়নী? সেই উত্তর শুরু উনি বলতে পারবেন।”
তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশন পদক্ষেপ না নিলে বিজেপি বাধ্য হবে ব্যবস্থা নিতে, দাবি বিজেপির রাজ্য সভাপতির




