নজরবন্দি ব্যুরো: অভিষেককে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। হুগলীর সিঙ্গুরে এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এমন মন্তব্য করলেন তিনি। বিজেপি সাংসদের এই দাবিতে পাল্টা তোপ দেগেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ফের শুরু হল শাসক-বিরোধী সংঘাত। কি বলেছিলেন সুকান্ত মজুমদার?
আরও পড়ুন: Emi Martinez: কলকাতায় আসছেন বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক, মুখ্যমন্ত্রীকে দেবেন বিশেষ উপহার
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘তৃণমূলের নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। জেলায় জেলায় ঘুরে জনসংযোগ যাত্রা করছেন তিনি। শাসক দলের এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপিকে নকল করে বিজেপির মত সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছেন। তাঁবু খাটিয়ে কাঁদের সঙ্গে মিটিং করছেন আমরা সব জানি। কিন্তু ওইভাবে তিনি বাঁচতে পারবেন না।” একইসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, “গ্রেফতার হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা! যেভাবে ওঁর স্ত্রীয়ের অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে। যদি টাকা গিয়ে থাকে তাহলে সে তো গ্রেফতার হবেই।”

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের মাধ্যমে নাম জড়িয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি তাঁকেও জেরা করার পরিকল্পনা করছে। কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকি তদন্তকারী সংস্থা যাতে চরম পদক্ষেপ নিতে না পারেন, তার জন্যও আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের আইনজীবী। তখনই হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন্হা জানান, “আদালতের দরজা ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন খোলা থাকবে। প্রয়োজন মনে করলে যখন খুশি আসবেন। কিন্তু কোনও রক্ষাকবচ নয়।” সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

সুকান্ত মজুমদারের দাবির পাল্টা দিয়েছে শাসক দল। তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “অভিষেককে নিয়ে সুকান্তর কথা বলা মানে তা বামনের চাঁদ ধরার চেষ্টার মত। তাই সুকান্তর কিছু না বলাই ভাল।” উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি অপব্যবহার করার অভিযোগ এনেছে তৃণমূল। কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয় অবিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতেও ইডি-সিবিআই দিয়ে বিরোধী দলগুলিকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করছে বলেই অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
Abhishek Banerjee-র গ্রেফতারি সময়ের অপেক্ষা! দাবি বিজেপি রাজ্য সভাপতির




