নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভা থেকে বাড়ি ছুঁয়ে একডালিয়া থেকে গন্তব্য কেওড়াতলা মহাশ্মশান। সুব্রতকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেছেন অনুগামীরা। এই ক্লাব এবং ক্লাবের দুর্গা পুজোর সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে সুব্রতবাবুর নাম। প্রিয় নেতাকে দেখতে ভিড় ভেঙে পড়েছে ক্লাব চত্বরে। এখন একডালিয়া এভারগ্রিন ক্লাব থেকে সুব্রতর দেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে তাঁর। গান স্যালুটও দেওয়া হবে তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় কে শেষ শ্রদ্ধা মোহনবাগানের, সবুজ-মেরুন পতাকায় ঢাকল দেহ।
ক্লাবে নিয়ে আসার আগে সুব্রত বাবুর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে। সেখানে আত্মীয়পরিজনদের পাশাপাশি তাঁর মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানান এলাকাবাসী। বাড়ি নিয়ে আসার আগে বিধানসভায় শায়িত ছিল সুব্রতর দেহ। সেখানে শাসক এবং বিরোধীদলের বিধায়করা শেষ শ্রদ্ধা জানান তাঁকে। ফিরহাদ হাকিম, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, ছাড়াও ছিলেন তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক। শেষ শ্রদ্ধা জানান শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়করাও।
বিধানসভায় সুব্রত মুখোপাধ্যায় কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। প্রয়াত সুব্রতবাবুর দেহে মাল্যদান করে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘রাজনীতিতে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বের নাম সব সময় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।’’ রাজ্যপালের পাশাপাশি সুব্রতবাবুকে শেষ শ্রদ্ধা জানান দলমত নির্বিশেষে সব বিধায়করাই।
একডালিয়া থেকে গন্তব্য কেওড়াতলা মহাশ্মশান, গান স্যালুটে শেষ বিদায় সুব্রতকে।

১৯৭১ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন, ১৯৭২ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের মন্ত্রীসভার সদস্য হন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের বিতর্কিত শাসনকালে সাফল্যের সাথে সুব্রত সামলেছিলেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের দায়িত্ব। ১৯৮২ সালে ফের রাজ্যের বিধায়ক নির্বাচিত হন সুব্রত বাবু। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত জোড়াবাগান কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৯৩ তে কেন্দ্র বদল করে চৌরঙ্গীতে দাঁড়ান সুব্রত, জয়ী হন এবারও।



