নিট কেলেঙ্কারিতে উত্তাল গোটা দেশ। সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে। যে ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে ১৯ জন। তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্ট চলছে মামলা। তবে শীর্ষ আদালত কাউন্সিলিং চালিয়ে যেতে বলেছে। বাতিল করা হয়নি নিট পরীক্ষা। এদিকে দিল্লিতে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের দাবি করে আগের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নিট পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করুক কেন্দ্র সরকার। এই দাবিতে তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: NEET-এ বিরাট দুর্নীতি, INDIA ছাড়বে না, লোকসভার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন সুদীপ
রাজধানীর বুকে যন্তর মন্তরে আন্দোলনে নেমেছেন পড়ুয়ারা। সঙ্গে সামিল হয়েছেন অভিভাবকেরাও। সকলের হাতেই প্ল্যাকার্ড। তাঁদের একটাই দাবি, আগের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হোক। তবে, সুপ্রিম কোর্ট সে নির্দেশ দেয়নি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও বলেছেন, ২০০৪ ও ২০১৫ সালে এর চেয়ে বড় দুর্নীতি হয়েছিল তাই পরীক্ষা বাতিল করতে হয়েছিল। কিন্তু এবার তা নয়, কয়েকজন দূর্নীতিগ্রস্ত মানুষের জন্য লাখ লাখ পড়ুয়ার ভবিষ্যত অনিশ্চিত করতে চায় না কেন্দ্র সরকার।

এবার নিট পরীক্ষা দেন মোট ২০,৮৭,৪৬২ জন। ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল, প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ৬৭ জন। আর প্রত্যেকেই ফুলমার্কস। অর্থাৎ, ৭২০-তে ৭২০! খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সেই অসামান্য প্রতিভাধর ছাত্রছাত্রীদের সকলের সঙ্গেই বিহার-যোগ। সেই রাজ্যে ২০-৩০ লাখ টাকায় ডাক্তারি পরীক্ষার প্রশ্ন বিক্রি হয়েছে। শুধু তাই নয়, রীতোমতো প্রশিক্ষণ দিয়ে পরীক্ষার্থীদের তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল।
বাতিল করতে হবে NEET, মোদিকে চিঠি দিলেন পড়ুয়ারা

ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) যদিও জানিয়েছে, ভুল প্রশ্নের জন্য এবং কয়েক জন প্রার্থীকে ‘গ্রেস মার্ক’ দেওয়ার কারণেই নম্বর বেড়েছে। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে বিহারের আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা (ইএইউ)। রবিবার গ্রেসমার্ক পাওয়া ১৫৬৩ জন ফের নিট পরীক্ষায় বসেছেন। নিট দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হল এনটিএ-এর ডিজি সুবোধ কুমার সিংহকে। আপাতত দায়িত্বে এসেছেন প্রদীপ কুমার খারোলা।



