ভ্যাপসা গরমে ভুগছে দক্ষিণবঙ্গ। এ দিকে, উত্তরবঙ্গে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব হয়েছে। তার মধ্যে জলপাইগুড়ি অন্যতম। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হল একজনের। মৃতের নাম দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ সরকার। মেখলিগঞ্জের বাসিন্দা।
আরও পড়ুনঃ প্রচারের মধ্যেই গোষ্ঠীকোন্দল-হাতাহাতি, তৃণমূল কর্মীদের ‘কীর্তি’ দেখে মাথায় হাত আজাদের!



জানা গিয়েছে, যে সময় ঝড় হচ্ছিল সেই সময় গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। এরপরই গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তাঁর মাথার উপর। আর সেই ডাল চাপা মারা যান তিনি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ময়নাগুড়ির রাজারহাট, বার্নিশ, বাকালি, জোরপাকড়ি, মাধবডাঙা, সাপ্টিবাড়ি গ্রামে। প্রচুর পাকাবাড়ি ধসেছে।
চাল উড়েছে কয়েক হাজার বাড়ির। গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে এখানে জখম শতাধিক। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ঘন্টায় অন্তত ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকায়। ঝড়ের পাশাপাশি ছিল শিলাবৃষ্টির দাপট প্রায় দুশো গ্রাম ওজনের শিল পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর টিনের ছাউনি দেওয়া বাড়ি।



বিঘার পর বিঘা ভুট্টা, বেগুন, ফুলকপি, বাধাকপি, টম্যাটো, লঙ্কাখেত তছনছ হয়েছে। কালবৈশাখীর দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা মঞ্চ। হাওয়া অফিস বলছে,ঝড়-বৃষ্টি হলেও গরমের দাপট চলতে থাকবে।
জলপাইগুড়িতে কালবৈশাখী, লণ্ডভণ্ড বহু বাড়ি, মৃত্যু ১

আগামী দুই দিনে বঙ্গে সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। কলকাতার পারা একেবারে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে চলে যেতে পারে। চড়া রোদ, অস্বস্তি বাড়াচ্ছে আর্দ্রতাও।







