নজরবন্দি ব্যুরো : চাহিদা তুঙ্গে, ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচীর পর থেকেই বেড়েছে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের চাহিদা। ক্যাম্প গুলিতে উপচে পড়ছে ভিড়। তাইনসামলাতে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ‘স্বাস্থ্যসাথী’র ফর্ম বিলি করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আর তারই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে ‘দুয়ারে সরকার’-এর শিবিরের সংখ্যাও। গত ১ ডিসেম্বর থেকেই ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প নিয়েই হাজির হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ “কৃষকদের পাশে আছি, ছিলাম থাকব”, ফের কৃষক সমর্থনে মমতা।
আর তাতে সাড়াও মিলেছে ব্যাপক। স্বাথ্যসাথী,বার্ধক্যভাতা ও ১০০ দিনের কাজের মতেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আবেদন আবেদন জমা পড়েছে। নবান্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২৪ লাখ আবেদন জমা পড়েছে। আর এর অনেকটাই দুই ২৪ পরগনা থেকল বেশি আবেদন পড়েছে।
চাহিদা তুঙ্গে, রাজ্যবাসীদের জন্য স্বাস্থ্যসাথী শুরু করায়, স্বাস্থ্যবিমার চাহিদা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারি কর্মী এবং জন প্রতিনিধিদের ‘স্বাস্থ্য সাথী’ বিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই কাজ শুরু হয়েগেছে।
সকলকে ফর্ম ফিলাপের পুরো বিষয়টিই বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কি কি নথি লাগবে তাও জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে,আমজনতার কাছে পৌঁছক যাচ্ছে সরকারি পরিষেবা অন্যদিকে কোভিড পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও ‘দুয়ারে সরকার’-এর শিবির গুলিতে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ভিড়ের মাত্রাও।



